জি বাংলার (Zee Bangla) সেরা ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। ধারাবাহিকটি প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত একইভাবে নিজেদের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ধারাবাহিকটি একাই কাঁপাচ্ছে নবাগত অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক (Ankita Mallick)। ধারাবাহিকে সেই দুর্গা আবার সেই জগদ্ধাত্রী। অ্যাকশনে ভরপুর এইধরনের ধারাবাহিক বহু বছর পর হয়তো জি বাংলার পর্দায় দেখা যাচ্ছে। তাই জন্য দর্শকমহলে এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা প্রচুর।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, জগদ্ধাত্রী রূপী দুর্গাকে দেখে মেহেন্দির সন্দেহ আরো গাঢ় হয়। প্রীতি এবং মেহেন্দি মিলে বারবার দুর্গাকে নিজেদের প্রশ্নের জালে জড়িয়ে ফেলে। তারপর জোর করে দুর্গাকে টেনে নিয়ে যায় ঠাকুর ঘরে। সেখানে আসলে মেহেন্দি পরীক্ষা নেবে জগদ্ধাত্রী আসলেই ফিরে এসে যে কিনা। সন্ধ্যা আরতির সময় জগদ্ধাত্রী একটি বিশেষ গান করত সেটাই বারবার করতে বলা হয় দুর্গাকে। আসলে মেহেন্দি যাচাই করে দেখতে চাইছে জগদ্ধাত্রী আসলেই ফিরে এসেছে কিনা। কিন্তু দুর্গা তো মেহেন্দির প্ল্যানের এক ধাপ আগে সবসময় চলে। তাই ঠিক মায়ের গাওয়া সেই গানটা গেয়ে সকলকে অবাক করে দেয়। মেহেন্দি তো নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারেনা।

জগদ্ধাত্রী যে গানটা গাই তো সেই গান একেবারে নিখুঁতভাবে গেয়ে শোনায় দুর্গা। সন্ধ্যা আরতির পর দুর্গা ঠাকুর ঘর ছেড়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যায়। আসলে মায়ের ভূমিকা পালন করতে করতে দুর্গার খুব কষ্ট হচ্ছে। সে আর বেশিদিন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে পারবে না। তাই দুর্গা আপ্রাণ চেষ্টা করছে জগদ্ধাত্রীকে সুস্থ করে তোলার। কিন্তু আর কেউ বুঝতে না পারলেও কাঁকন ঠিক ধরে ফেলে তার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে সে জগদ্ধাত্রী নয়। কাঁকনের সামনে ধরা পড়ে যায় দুর্গা।
এরপর কাঁকনের বাবা এসে কাঁকনের ভাষা দুর্গাকে বোঝাতে থাকে। কাঁকন জানতে চায় যদি দুর্গা জগদ্ধাত্রী বেশে তার সামনে থাকে তাহলে আসল জগদ্ধাত্রী কোথায়? জগদ্ধাত্রীর জন্য চিন্তিত হয়ে ওঠে কাঁকন। দুর্গা কাঁকনকে জানায় জগদ্ধাত্রীকে সুস্থ করে ঠিক ফিরিয়ে আনবে সে। কিন্তু কাঁকনকে সাবধান করে দেয় যাতে এই সত্যিটা কেউ না জানতে পারে। দুর্গাই যে জগদ্ধাত্রী সেই সত্যিটা যেন আড়াল থাকে। কাঁকন কথা দেয় সে কখনও এই সত্যি ফাঁস করবে না।
আরও পড়ুনঃ বহিরাগতদের ঠাঁই ব্রাইট মাইন্ডসে নাই! পারুলকে কলেজ থেকে বের করার চ্যালেঞ্জ নিলো শিরিন!
অন্যদিকে বৈদেহি মুখার্জি দিব্যা সেনকে ফোন করে বলতে থাকে জগদ্ধাত্রী আসলেই ফিরে এসেছে। সমস্ত প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক দিচ্ছে সে, যা জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে সব উত্তর জানে জগদ্ধাত্রী। কিন্তু দিব্যা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারেনা। তখনই কৌশিকী এসে দেখে ফেলে বৈদেহি এবং দিব্যা কথা বলছে। কৌশিকী বৈদেহির থেকে ফোন নিয়ে দিব্যাকে সাবধান করে দেয়, জানিয়ে দেয় জগদ্ধাত্রী আবার ফিরে এসেছে। তাই কোর্টে অপারেশন থিয়েটারের সত্যিটা প্রমাণ হতে বেশিদিন সময় লাগবে না। দিব্যা যেন সাবধানে থাকে। এদিকে মেহেন্দির মনে এখনো খটকা রয়েছে আসলেই জগদ্ধাত্রী জগদ্ধাত্রী কি না। তাই একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকে মেহেন্দি। পরিবারে কার কি ভালো লাগে, কার জন্মদিন কবে সব কিছু খুঁটিয়ে প্রশ্ন করে। কিন্তু দুর্গাও সমস্ত প্রশ্নের উত্তর একেবারে নিখুঁতভাবে দেয়। পরের দিন দুর্গা রাস্তায় বেরিয়ে একদল গুন্ডার মুখোমুখি হয়। উল্টো দিক থেকে দিব্যা সেনের লোক বন্দুক চালায় দুর্গার দিকে। এবারে দেখার অপেক্ষা শত্রুদের হাত থেকে কিভাবে রক্ষা পায় দুর্গা।
