অবশেষে ফুলকি দেখতে পেল তার বাবাকে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকিরা যে গ্রামে বড় রাজাকে খুঁজতে গেছে সেইখানে গিয়ে সবাইকে বড় রাজার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেও কেউ বলতে পারে না। অবশেষে, সেই গ্রামের মোড়ল এক জেলেকে ডেকে আনাতে কুড়ি বছর আগেকার ঘটনা সকলকে বলতে থাকে।
এমন সময়, লাবুরা ফুলকিদের কাছে এসে পোঁছেছে। এরপর, সেই জেলে সমস্ত কথা বলার পরে রোহিতদের কাছে বড়ো রাজার ফটো দেখতে চায় কিন্তু কোনো ছবি না থাকতে তাঁরা দেখাতে পারে না। ঠিক এমন সময়ে লাবু নবাবগঞ্জের লাইব্রেরি থেকে একটা খবরের কাগজ খুঁজে পায়। আর, সেই কাগজেই দেখতে পায় বড়ো রাজা বাবুর ছবি।

ফুলকি এই খবরের কাগজের মাধ্যমেই প্রথম তাঁর বাবাকে দেখে। এই সময়, সঙ্গে সঙ্গে ফুলকি বলে ওঠে মা কালী তাঁদের সহায় রয়েছে। এদিকে, জেলে রাজাবাবুর ছবি দেখে বলে হ্যা এই লোকটারই দেহ ভেসে এসেছিল। আর বলে, এখন এই ব্যাক্তি হয়তো রয়েছে চরণ দাস ঠাকুর আশ্রমে।
এই কথা শোনা মাত্রই ফুলকিরা যেতে চায় সেই আশ্রমে। আর, এই সব আড়াল থেকে লক্ষ রাখে ছোটো রাণীর লোক। এদিকে, রুদ্র মহা আনন্দে ফুলকিদের মারা যাওয়ায় রাজভোজ করতে থাকে। এমন সময়, ছোটো রাণী এসে জানায় ফুলকিরা বেঁচে আছে। এই শুনে অবাক হয়ে যায় রুদ্র। ছোট রানী রুদ্রকে বলে সে যেন ফুলকিদের পিছু নিয়ে চরণ দাস ঠাকুরের আশ্রমে যায়।
এরপর, ফুলকিরা সময় নষ্ট না করে পৌঁছে যায় সেই আশ্রমে। আর, রোহিতদেরও পিছু নিয়ে ছদ্মবেশে পৌঁছে যায় রুদ্র। ভজন-কীর্তনের শেষে ফুলকি সেই আশ্রমের বাবাজিদের বড়ো রাজার কথা জিজ্ঞাসা করলে সেই অর্থে প্রাথমিকভাবে কিছুই বলতে পারে না। কিন্তু, পরবর্তীতে এই ব্যাক্তির কথা মনে পড়লে বলে সে নাকি এখন রয়েছে গুপ্ত সাধনায়।
আরও পড়ুনঃ নবাবগঞ্জের লাইব্রেরীতেই লুকিয়ে বড়ো রাজার মৃ’ত্যু রহস্য! ফুলকি কী খুঁজে পাবে তাঁর হারানো বাবাকে?
কারণ, জ্ঞান ফেরার পর তাঁর কিছুই মনে না পরায় সে সন্ন্যাস নেয়। আর, এইসব কথাই আড়াল থেকে শুনতে পায় রুদ্র। কিন্তু, ফুলকিরা বুঝতে পারে তাঁদের কথা কেউ শুনছে তাই একটা ঢিল ছুঁড়ে তাঁকে আঘাত করায় পালিয়ে যায়। ফুলকি এবং রোহিতরা মিলে ভাবছে যে বড় রাজাবাবুকে খুঁজে পাওয়া গেলে এবার বড় রানী মার কাছে তাকে দিয়ে আসবো। অন্যদিকে ছোট রানী রুদ্রকে বলছে, “কোনো অবস্থাতেই বড় রাজাবাবুকেই বাড়িতে ফিরে আসতে দেব না”।
