পরিস্থিতির চাপে পরে নিজেদের বাড়ি থেকেই ছদ্মবেশে পালাতে হল রোহিতদের। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, চরণ দাস ঠাকুর আশ্রমে গিয়ে ফুল কি জিজ্ঞাসা করছে ‘আচ্ছা এই সাধকরা কাছাকাছির মধ্যে এখানে কোথাও আসবেনা?’ এমন সময় এক সন্ন্যাসী তাকে বলে এই গুপ্ত সাধকরা নানান শ্মশানে ঘুরে ঘুরে সাধনা করে বেড়ায় তাই কে কখন কোথায় থাকে ঠিক বলা যায় না।
এরপরও ফুলকি রোহিতরা সেই সন্ন্যাসীর থেকে সাহায্য চাওয়ায় তিনি তাদেরকে বলে, ‘শনিচারী মাবস্যায় নেত্বগ্রাম শ্মশানে একসঙ্গে জড়ো হয়।’ ফুলকিরা এই কথা শোনা মাত্রই মনে একটা আশার আলোয় জাগে এবং ঠিক করে তাঁরা ওই গ্রামের স্মশানে যাবে।

এরপর ফুল কি রোহিত কে প্রশ্ন করতে থাকে বড় রাজাবাবু হঠাৎ করে এই সাধুদের দলে কি করে যোগ দিলেন? এমন ধরনের নানা প্রশ্ন ফুলকি রহিত কে করতে থাকলে রোহিত তাকে বলে তাদেরকে নিজে গিয়ে খোঁজখবর নিতে হবে। এদিকে, ফুলকির পাটকেলের মারে আহত রুদ্র রাগে ফুসছে যে সে এবারেও তাঁদের মেরে ফেলতে পারলো না।
এমনকি, ঠিকঠাক করে খবর নেওয়ার আগেই ফুলকিদের হাতে ধরা পরে গেল। তাও, তিওয়ারি ছিল বলে প্রাণে বেঁচেছে। কিন্তু, রুদ্র কথা শুনে ছোটো রাণী মনে মনে ভাবতে থাকে বড়ো রাজা কীকরে বেঁচে থাকতে পারে? আর, বেঁচে থাকলেই বা ফুলকিরা তাঁকে চিনবে কীকরে? এই বড়ো রাজাকে যাতে কেউ চিনে খুঁজতে না পারে সেজন্য সব ফটো উধাও করে দিয়েছে।
এরপর, ছোটো রাণী রুদ্রকে বলে যেভাবেই হোক বড়ো রাজা যদি বেঁচে থাকে তাহলে তাঁর এই চৌধুরী মহলে আসা আটকাতে হবে। এরপর, পরদিন সকাল হতেই রুদ্র ছাদ থেকে দেখতে পায় ছোটো রাণী তাঁদের বাড়ির চারপাশে চর ছেড়ে রেখেছে যাতে রোহিতদের ওপর নজর রাখতে পারে।
রোহিত এই কথা বুঝতে পেরে লাবুকে বলে তাঁর ডলের দুটি ছেলেকে ডেকে আনতে যেনো তাঁদের দূর থেকে দেখে নকল রোহিত-ফুলকি মনে হয়। এরপর, লাবুর দলের ছেলেগুলো আসতেই তাঁদের মতন বেশ ধরে রোহিত-ফুলকি রাতের বেলা চুপিসারে অথচ রুদ্রও লোকেদের নাকের সামনে দিয়ে বেরিয়ে চলে যায়। এরপর, নেত্বগ্রামে পৌঁছানো মাত্রই রোহিত একা স্মশানে গিয়ে সমস্ত খোঁজ নিতে থাকে। এমন সময় এক আলাদা গুপ্ত সাধককে দেখে যেনো বড়ো রাজা বাবুর সঙ্গে ভীষণ মিল পেল রোহিত।
আরও পড়ুনঃ চৌধুরী মহলে বড় রাজাকে ঢুকতে দেবে না ছোট রানী! এদিকে, ফুলকি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড়! সত্যি-মিথ্যের লড়াইয়ে জিতবে কে?
একদিকে খবরের কাগজের ছবি দেখে রোহিত এক সাধককে দেখে মিলাতে চাইছেন তিনি কি ফুলকির আসল বাবা আবার অন্যদিকে রুদ্র কালো মুখোশ পরে পৌছে গেছে সেই আশ্রমে যেখানে ফুলকিরা গিয়ে বড় রাজার খোঁজ করছিলো।
