অসাধ্য সাধন করে ফেলল ফুলকি। বিগত কয়েকদিন ধরে জি বাংলার এই সিরিয়ালে দেখা যাচ্ছে, ফুলকি ও হারহাইনেসের মধ্যে চলছে এক চাপা অদৃশ্য লড়াই যা তাঁরা নিজেরাও সেই অর্থে বুঝতে পারছে না। এই ধরা ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ছোটো রাজার দেখানো গুপ্ত পথকে অনুসরণ করেই ফুলকি ঢোকে সেই সুড়ঙ্গে।
এরপর, সুরঙ্গ পথ দিয়ে যেতে যেতে ফুলকি চারিদিকে তাকায় এবং বেরোনোর পথ খোঁজে। তবে, সুরঙ্গের শেষ প্রান্তে এসে দিশেহারা ফুলকি অদ্ভুত এক জিনিসকে স্পর্শ করাতেই খুলে যায় আরেকটি গুপ্ত দরজা এবং সেই পথের মাধ্যমেই ফুলকি সোজা চলে যায় বড় রাণীর ঘরে। বড় রাণীকে দেখা মাত্রই ফুলকি খুব আনন্দিত হয়ে ওঠে।

এদিকে, ফুলকির নাচ-গানে বেশ মনঃক্ষুণ্ণ হয় হারহাইনেস। আর, সেই জন্যই রায় চৌধুরী বাড়ির বড়ো সদস্যরা ছোট রানী মাকে ফুলকির ব্যাপারে বলতে গেলে তিনি বলে, নাচ গান করা নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই তবে এই অনুষ্ঠানে যেসব হাই সোসাইটির লোকেরা উপস্থিত হয়েছে তাঁদের জন্য তাই আমোদ প্রমোদের কোন আয়োজন করা হয়নি। রানী মা আরও বলেন, চৌধুরী মহলের নিয়ম একটু সবার থেকে আলাদা ফুলকি যেন সেই নিয়ম মাথায় রাখে’ এটা যেন বলে দেওয়া হয় তাকে।
এরপর ফুল কি বড় রানী মাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে আসে সকলের সামনে। এই দেখে অবাক হয়ে যায় ছোট কুমার থেকে শুরু করে হারহাইনেস, ছোটো রাজা আরও সবাই। তবে, পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়ার জন্য হারহাইনেস বড় রানী মাকে বলে, ধানসিঁড়ি এবং আদিত্যকে আশীর্বাদ করার জন্য। যথারীতি ধানু ও আদিত্য বড়মার থেকে আশীর্বাদ নেয়।
এদিকে মনে মনে হারহাইনেস ভাবে, কীকরে ফুলকি দিদিকে এইভাবে সাজিয়ে নিয়ে এলো? ফুলকির ওপর অসম্ভব রাগ হলেও ছোট রানী মা তাঁকে কিছুই বলে উঠতে পারছে না। এমন সময় ফুলকি নিজে থেকেই ছোট রানী মাকে বলে, তিনি যেনো কোনো রাগ না করে। ফুলকি অন্য পথ দিয়ে বড় রানী মাকে এই অনুষ্ঠানে এনেছেন। ফুলকি আরো বলে তিনি চাইলে ফুলকিকে মারতে পারেন এতে অন্য কারোর দোষ নেই।
এরপর দেখা যায় ফুলশয্যার বিশেষ রাতের জন্য ধানসিঁড়ি কে তৈরি করে ঘরে নিয়ে যায় লাবুর। অন্যদিকে, আদিত্যকেও নিয়ে আসে তমালরা। অবশেষে, চোখের জলে ধানু বিদায় দেয় তার পরিবারের সদস্যদের। এদিকে, বাড়ি যাওয়ার সময়তেও ফুলকিকে খুঁজে পাচ্ছে না রোহিতরা। লাবুরা অনুমান করে শেষবারের মতো হয়তো দেখা করতে গেছে বড় রানী মার সঙ্গে। এরপর বাড়ি যাওয়ার সময় ফুলকি আবারও হারহাইনেসকে বলে যায় সে আসবে, ধানু দিদি ও বড় রানী মাকে দেখতে।
আরও পড়ুনঃ ধানুর বৌভাতে ভয়ংকর কান্ড ঘটনা ঘটালো ফুলকি! রহস্য উন্মোচনের পথে আরো একধাপ! ফাঁ’স আজকের পর্ব
এরপর ফুলকিরা বাড়ি পৌঁছে গেলে জেঠু-জেঠিমনিরা তাঁর কাছে আসে। ফুলকি যেন তার ধানু দিদিকে ফোন করে বলে, যে সে যেন খুব ভালো করে ওই বাড়ির নিয়ম কানুন মেনে সংসার করে। এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বড়ো রাণী মা ফুলকিকে বলছে, ‘আমায় নৃসিংহদেব ইশারা দিয়েছে আমার স্বামী ও মেয়ে বেঁচে আছে’। এই শুনে ফুলকি বলে, তাঁকে তাঁর মেয়ে ফিরিয়ে দেবে।
