জি বাংলার পরিণীতা ধারাবাহিকে চলছে রায়ানকে নির্দোষ প্রমাণ করার লড়াই। রায়ানীর মাকে কথা দেওয়া পারুল ইতিমধ্যেই জোগাড় করে ফেলেছে প্রমাণ। এই সিরিয়ালের গত পর্বে দেখা গেছে, পারুলের কথার ওপর ভরসা করে পুলিশসহ বসু বাড়ির সবাই এসেছে DK-এর ফ্ল্যাটে।
এরপর, ভালো করে নানা ভঙ্গির মাধ্যমে পারুল পুলিশ অফিসারকে বোঝাতে থাকে কী করে আততায়ী ঢুকেছে DK-এর ফ্ল্যাটে। এমন সময়, বসু বাড়ির সবাই মন দিয়ে শুনতে থাকে পারুলের কথা। কিন্তু, এদিকে রায়ান মনে মনে ভাবে তাঁর জন্তুর মাথায় এত বুদ্ধি। এমন সময় এসে হাজির হয় শিরিনও।

প্রাথমিকভাবে, পুলিশরা কিছুতেই বুঝতে পারছিল না কিন্তু পরে পুরো ঘটনা উপলব্ধি করতে পারায় পারুলকে সাধুবাদ জানায় পুলিশ। পরবর্তীকালে, পারুল আবার পুলিশদের বলে রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে তাঁরা হয়তো আক্রমণকারীর কোনো সন্ধান পেতে পারে।
পারুলের কথা মত পুলিশরা সিসি টিভির ফুটেজ চেক করলে পন্থাভাজন একজনকে বাইকে করে চলে যেতে দেখে পুলিশেরা। আর এর পরে সবার সামনে জলের মতন পরিষ্কার হয়ে যায় রায়ান নির্দোষ। আবেগের বসে রায়ান পারুলকে জড়িয়ে ধরে ধন্যবাদ জানায়। এমন সময় পারুল বলে, মহাদেব ছাড়া তাকে আর কেউ বাঁচাতে পারত না। আগামী দিনের সেই যেন বাড়ির লোকের কথা শুনে চলে।
এরপর ছেলেকে তার কাকিমার কাছে অর্থাৎ রায়ানের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় পিছু ডাকে দাদু। রায়ানের দাদু পারুল কে জিজ্ঞাসা করে সে কোথায় যাচ্ছে? এমনকি এই ঘটনাচক্রে দাদু পারুলকে বাড়ি ফিরে আসার কথাও বলে।
আরও পড়ুনঃ হয়ে গেল তমাল-ঝিনুকের আশীর্বাদ! চলছে বধূ বরণের প্রস্তুতি! এই বিয়েটা মেনে নিতে পারবে তো ঈশিতা?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পারুল এবং রায়ানসহ বসু বাড়িতে সবাই ফিরে এলেও ফিরিন আবার ঝামেলা করতে শুরু করে দেয়। শিরিনের কথা অনুযায়ী ফ্ল্যাটে ঝামেলা মিটে গিয়েছে তাই রায়ানকে আবার ওই ফ্ল্যাটে ফিরে যেতে হবে লিভ ইন করার জন্য। রায়ানের হাত ধরে টানাটানি করার সময় পারুল বাধা দেয় এবং রায়ানকে বলে, সে যদি বাড়ি থেকে বেরিয়েছে তাহলে মারাত্মক কোনো কান্ড ঘটে যাবে।
