তমাল-ঝিনুকের বিয়ে পন্ড করতে উঠে পড়ে লেগেছে ঈশানী। জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকির বাবা মায়ের কাছে বসু বাড়ি সদস্যরা ঝিনুক এবং তমালের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গেছে।
এরপর দেখা যায়, সংশোধনাগারে নতুন জীবন যাত্রা শুরু করতে চলেছে রুদ্র রূপ সান্যাল। থানার বড় অফিসার তাঁকে জানিয়ে দেয় এখানে নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়। এই সব কথা শুনে মনে মনে রুদ্র ভাবে আজ তাঁর এমন দিন এসেছে যে কেউ তাঁকে কাজ করার অর্ডার দিচ্ছে। আরও ভাবে, যখন তাঁর নজর আবার রায়চৌধুরী বাড়ির ওপর পড়বে তখন সেই কড়ায়গন্ডায় সব উসুল করে নেবে।

অন্যদিকে আবার ফুলকির বাবা-মা প্রাথমিকভাবে তমালের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে সংশয় করায় পরবর্তীকালে রোহিতের কথায় এবং বিশ্বাসে ফুলকির বাবা-মা এই বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। এরপর দেখা যায় জেলের অন্যান্য কয়েদিরা রুদ্রকে খাবার খেতে দিতে এলে সে তাঁদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করে। এমন সময় এও ভাবে, যে ঈশানি রায় চৌধুরী বাড়িতে কি করছে?
এদিকে আবার রায়চৌধুরী বাড়ি থেকে ঈশানী চলে আসার পর আশ্রয় নিতে যায় রুদ্রর বোনের কাছে। রুদ্রের বোনকে সমস্ত ঘটনা জানানোর পর ঈশানী কয়েকদিনের জন্য তাঁর কাছে আশ্রয় চাইলেও রুকু অনায়াসেই তাঁকে থাকতে দেয়।
এরপর দেরী না করে পরের দিন সকাল হতেই তমাল-ঝিনুকের আশীর্বাদের জন্য তোরজোর শুরু করে দেয় সবাই। জামা কাপড় কেনাকাটা থেকে শুরু করে ঘর গোছানো সব কিছুতেই ব্যস্ত বাড়ির সদস্যেরা। এমন সময় জেঠিমণি রোহিত ফুলকিকে পাঠায় সুপার স্টোরে তমাল এবং ঝিনুককে ডেকে আনার জন্য। আর, যাওয়ার সময় তারা দেখে বাড়ির একটি টব গাছ ভেঙে পড়ে রয়েছে। এই দেখে ফুলকির সন্দেহ হলেও পরবর্তীতে রোহিত তাকে কেবলই আনন্দ করার কথা বলে। এরপর, তাঁরা চলেই যাওয়াই দেখা যায় চুপিসারে রায়চৌধুরী বাড়িতে ঢুকেছে ঈশানী।
অন্যদিকে আবার সংশোধনাগারে থাকায় নিজের জামা কাপড় নিজেই কাচচ্ছে রুদ্র। এমন তোমায় নানা কথার মাধ্যমে জেলের অন্যান্য কয়েদিরা রুদ্রকে উত্তপ্ত করায় তাদের মধ্যে মারপিট লেগে যায়। কিন্তু, পরে পুলিশরা এসে তাদের মারপিট থামায়।
আরও পড়ুনঃ নির্দোষ প্রমাণ হল রায়ান! মায়ের কাছে ছেলেকে ফিরিয়ে দিলো পারুল! বাড়ির সম্মান রক্ষা করায় সব রাগ গলে গেল দাদুর!
এদিকে আবার ঝিনুক তমালকে নিয়ে হাজির হয়েছে ফুলকিরা। এমন সময়, সবার সামনে ঝিনুককে শাড়ি পছন্দ করতে বলায় সে তোমালের ইশারায় শাড়ি পছন্দ করে, যা নিয়ে হাসাহাসি করতে থাকে বাড়ির সবাই। এরপর, সবার আড়ালে ঈশানী এসে তমালের পছন্দ করা শাড়িটাকে কাঁচি দিয়ে কেটে নস্ট করে দেয়। এই দেখে মনে মনে সবাই ভাবতে থাকে কে করেছে এই কাজটা? আর কেনই বা করবে?
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে তমাল এবং ঝিনুককে আশীর্বাদ করলে দুই বাড়ির সদস্যরা। এদিকে, হইহই করে হচ্ছে ঝিনুকের মেহেন্দির অনুষ্ঠান।
