কনেবেশে রায়চৌধুরী পরিবারের বিয়ের মন্ডপে হাজির ঈশিতা। এদিকে আবার সংশোধনাগারে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছে রুদ্র। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, আলতা পড়ার সময় ঝিনুকের সঙ্গে অশুভ ঘটনা ঘটলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই তা ভুলে গিয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। গান-বাজনা হই হুল্লোড়ের মধ্যে কেটে যায় সঙ্গীতের সন্ধ্যে।
তবে এদিকে পরদিন সকাল হতেই দেখা যায় রুদ্র মনে মনে ভাবছে তার সঙ্গে জেলে দেখা করতে এসেছে রোহিত এবং তাকে নানা কথার মাধ্যমে উতক্ত করে তুলছে। এরপর সেই রোহিতকে ধরেই জেলের মধ্যেই বেধারক মার মারছে রুদ্র। এমন সময় জেলের আরেক কয়েদি সাগর সাগর বলে চেঁচিয়ে উঠতেই রুদ্রর হুঁশ ফেরে এবং দেখে যাকে মারছিল সে রোহিত নয় অন্য কেউ। এমন সময় থানার বড়বাবু আসায় রুদ্রকে সাবধান করে যায়। এমনকি আরও বলে, এইভাবেই রুদ্র ব্যবহার করতে থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এরপর যথারীতি আবার রায় চৌধুরী বাড়ির আনন্দমুখর পরিবেশে ব্যস্ত সবাই। ধারাবাহিকের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বাড়ির সবাই মিলে ঝিনুককে কনের বেশে সাজিয়ে তুলছে। এমন সময় হৈমন্তী ঝিনুকের মাকে ডেকে এনে ঝিনুককে দেখায় এবং একান্তই তাদের দুজনকে একটু গল্প করার জন্য ছেড়ে দেয়। এরপর, নানান কোথায় ঝিনুকের মা তমালকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পছন্দ কিনা? এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করাতে বিভিন্ন কথার মাধ্যমে ঝিনুক বুঝিয়ে দেয় যে তাঁরও তমালকে পছন্দ।
অন্যদিকে শত কাজের মধ্যেও বাড়ির ছোটরা খুনসুটিতে মেতে রয়েছে। বর অর্থাৎ তমাল নাকি খেতে চেয়েছে ফিস ফ্রাই? তাই, তাঁর ব্যবস্থা করেছে পিয়াল। আর এই কথা নিয়েই সকলের মধ্যে হাসাহাসি হচ্ছে। এমন সময় ঠাকুরমশাই নারায়ণ শিলা নিয়ে বিয়ের জন্য বাড়িতে উপস্থিত হলে তড়িঘড়ি করে শুরু হয়ে যায় বিয়ে।
কিন্তু অন্যদিকে তমাল-ঝিনুকের শুভদৃষ্টি এবং মালাবদলের সময় ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বাড়িতে এসে হাজির হয় ঈশিতা। মাঝপথে আটকে যায় ঝিনুকের বিয়ে। ঈশিতাকে বাড়িতে দেখে রায়চৌধুরী পরিবারের সবাই তাকে বেরিয়ে যেতে বললেও সে কোনমতেই তার জায়গা ছাড়তে নারাজ। এমনকি, সে পুনরায় তমালকে বিয়েও করতে চায়। আর নাটককে আরো জমজমাট করে তোলার জন্য ঈশিতা গায়ে বম্ব ফিট করে আনে।
আরও পড়ুনঃ বসু বাড়িতে রায়ানের সঙ্গে ফিরল পারুল! জিতে গেলো ন্যারা গোয়ালের মেয়ে! কি হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে?
এই দেখে আমন্ত্রিত অতিথিরা চলে গেলেও ঈশিতা বলে, ‘মরলে সে একা মরবে না এই বাড়ির সবাইকে নিয়ে মরবে’। এরপর ১, ২ করে গুনতে থাকে আর বম্ব-এর রিমোট টেপার জন্য সবাইকে ভয় দেখাতে থাকে। তবে, এমন সময় ফুলকি মনে মনে ভাবে কেউ কি এত সুন্দর সেজেগুজে এসে নিজেকে কি শেষ করে দিতে চাইবে? বিশেষ করে ঈশিতা দিদির মত আরাম প্রিয় মানুষ! এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ঈশিতার নাটকীয়তা দৃশ্যের পর ফুলকি তাঁকে সবার সামনেই সপাটে থাপ্পড় মারে। আর, এই দেখে অবাক হয়ে যায় সবাই।
