রা পরল সমীরণ ও তার ছেলেরা। সুস্থভাবে টগর কে বাঁচালো পারুল-রায়ান। জি বাংলার ‘পরিণীতা’ (Parineeta) ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, সমীরণের বাগান বাড়িতে ছদ্মবেশে হাজির হয়েছে পারুল, রায়ান এবং গ্রামের কিছু লোকেরা। পারুলদের উদ্দেশ্য একটাই, টগরকে বাঁচানো।
বাগান বাড়িতে ঢুকে পারুলরা সমীরণদের পালা গান দেখাতে শুরু করে। তবে, সুযোগ বুঝে রায়ানরা বাড়ির ভিতরে ঢুকে টগরকে খুজতে শুরু করে। এরপর, টগরকে খুঁজে পাওয়া মাত্রই বেরিয়ে যাওয়ার সময় সমীরণের ভাগ্নে বুঝতে পারায় পারুলদের দিকে বন্দুক তাক করে।

এরপর, নানা তর্ক-বিতর্কে শুরু হয় লড়াই। শিব-পার্বতীর রুদ্ররূপে শত্রুকে দমন করার চেষ্টা পারুলদের। আর, এরপরেই পুলিশ নিয়ে হাজির হয় রায়ান এবং পারুলের বাড়ির সদস্যরা। তবে, পুলিশের সামনে সমীরণের ভাগ্নেকে রাহুলের ব্যাপারে নানা কথা জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও সে কিছুতেই সত্যি কথা বলে না।
এরপর, পুলিশ অন্যায় কাণ্ডে অভিযুক্তকারীদের ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা। সমীরণের ভাগ্নে পুলিশের কোমড় থেকে পিস্তল বের করে সটাং পারুলকে গুলি করে। তবে, রায়ান সেই গুলিতে বিদ্ধ হয়ে পারুলকে বাঁচায়।
এরপর তড়িঘড়ি করে গ্রামের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় রায়ানকে। আর হাসপাতালে গিয়েই রায়ানের মা পারুলকে দোষারোপ করতে থাকে যে তার জন্যই আজ রায়ানের এমন অবস্থা হয়েছে। এদিকে রায়ানের এমন অবস্থা দেখে মনে মনে পারুলেরও খুব খারাপ লাগতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ সমীরণের কবলে টগর! শিব-দুর্গার ছদ্মবেশে পারুল-রায়ান! সমীরণের হাত থেকে টগরকে বাঁচাতে মৃ’ত্যু মুখে রায়ান!
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, হাসপাতালে দৌড়ে দৌড়ে পারুল খাবার এনেছে রায়ানের জন্য। এমন সময় গোপাল তাকে বলে, ‘ওরা কলকাতায় চলে গেছে রে বোন, আমি অনেক চেষ্টা করলাম। ওদের আটকাতে পারলাম না’।
