জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের রায়চৌধুরী পরিবার রয়েছে বিচার পাওয়ার আশায়। বর্তমানে এই সিরিয়ালের গল্প দর্শকদের দিনে দিনে আগ্রহী করে তুলেছে। এই ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, রায়চৌধুরী পরিবার রুদ্র রূপের সঙ্গে যে লড়াইয়ে তাতে যেনো সত্যের জয় হয় এই জন্যই মা কালীর কাছে পুজো করছে রোহিত-ফুলকি। রুদ্র আইনের হেফাজতে থাকলেও ফুলকি এবং রোহিত পাড়ি দিয়েছে দিল্লিতে, প্রমাণ পাওয়ার আশায়।
আর, এদিকে ঈশানী রুদ্রর সঙ্গে দেখা করার জন্য থানায় পৌঁছে গিয়েছে। ফুলকি রোহিত দিল্লিতে যাবে আর সেই খবর রুদ্র জানবে না তা কি করে হয়? তাই, জামাইবাবুর কানে এই খবর যাওয়া মাত্রই সে তাঁর ভাড়া করা গুন্ডাকে ফোন করে নির্দেশ দেয় যাতে রোহিতরা আগামী দুদিনে পুরোনো কেসের কোনো প্রমাণ না পায় এবং তাঁদের যেনো আটকে রাখা হয়।

অন্যদিকে আবার, DG সাহেবের সঙ্গে অংশু দেখা করে ফিরে আসার পর দেখে থানায় এসেছে ঈশানী। এমনকি অংশু দেখে থানার বড়বাবু রুদ্রর জন্য স্পেশাল থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এরপর নানা তর্কবিতর্কের মাধ্যমে চেঁচামেচি করতে শুরু করে রুদ্র।
দিল্লিতে ফুলকিরা পৌঁছে যাওয়া মাত্রই পান্ডেজীর সঙ্গে দেখা করে তাঁরা। তথাগত রায় চৌধুরী অর্থাৎ রোহিতের বরদার ব্যাপারে কোন খোঁজ পেয়েছে কিনা পান্ডেজীকে জিজ্ঞাসা করায় তিনি বলেন, আলাদা করে নতুন কোনো প্রমাণই তিনি বের করতে পারেননি। এই খবর শুনে, খানিক হতাশাগ্রস্থ হয়ে একটি ক্যাফেতে যায় ফুলকি-রোহিত।
এমন সময় রোহিতদের ফোন করে লাবণ্যরা এবং তাদের রুদ্র লোকেদের সম্পর্কে সাবধান থাকার কথা বলে। এরপর, যখন ফুলকি ও রোহিত গেমস ভিলেজের বিষয় নিয়ে নানান আলোচনা করছিল তখন তাঁদের পাশের এক টেবিলে বসা কিছু ছেলেদের আলোচনা শুনতে পায় ফুলকি। মা কালীর আশীর্বাদে সেই ছেলেগুলোই ঐ গেমস ভিলেজের সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে নানা কথা বলছিল। আর এমন সময় ফুলকিও মনে করে যদি তাঁদের থেকে সাহায্য নিয়ে কোনো প্রমাণ পায় তাহলে খুব ভালো হয়। তবে, এমন সময় ছেলেগুলোর থেকে সাহায্য চাওয়ার জন্য গেলে ফুলকি দেখে তারা চলে গেছে।
আরও পড়ুনঃ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে রায়ান! চোখের জল ফেলছে পারুল! এটাই কি তবে দুই শত্রুর প্রেমের সূত্রপাত?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পান্ডেজী আশীষ চতুর্বেদীর নামে কোনো এক ব্যক্তির কথা বলেন ফুলকি-রোহিতকে। যাঁর কাছ থেকে কোনো প্রমাণ পেতে পারে তারা। এই শুনে ফুলকি বলে, ‘আমরা আসিস বাবুর বাড়ি যাবো। এবার সব বিচার হওয়ার সময় হয়ে এসেছে। আর নয়, এবার ইসপার উসপার’।
