EntertainmentBangla Serial

আয়ানের চোখে ভেসে উঠল অচেনা এক মুখ ! আবার হবে তো দেখা আদৃত-শুভর? কী হতে চলেছে ‘গৃহপ্রবেশ’-এর আগামী পর্বে?

রায় বাড়িতে সবাইয়ের মন ভার। আজকে স্টার জলসার ‘গৃহপ্রবেশ’-এর (Grihoprobesh) গল্পে দেখা যাবে, বাড়িতে চলছে আদৃতের বাৎসরিক কাজ। আর এর মধ্যেই এসে হাজির জিনিয়া। জিনিয়া কেন এসেছে শুভ জিজ্ঞাসা করলে বলে, এই দিনটা তাঁর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আগে সে শুভর সঙ্গে অনেক খারাপ ব্যবহার করেছি আর সেটারই প্রায়শ্চিত্ত করছে এখন বললেন জিনিয়া।

এরপর বাৎসরিক কাজ চলার সময় মনে মনে শুভ বলে ‘তোমায় ছাড়া একটা বছর কাটিয়ে ফেললাম আমি। আমি জানি তুমি যেখানেই আছো আমাদের সঙ্গে আছো। তারাদের দেশে ভালো থেকো আদৃত’। অন্যদিকে আবার ডাক্তারের সঙ্গে আদৃত অর্থাৎ আয়ান এসেছে একটা ক্যাফেতে। এরপর মোহনা অর্থাৎ ডাক্তারবাবু আদৃতের চোখ বন্ধ করে একটা জায়গায় বসায়। মোহনা জন্মদিনের একটা সারপ্রাইজ দেয় আদৃতকে। এই সময় আয়ান অর্থাৎ আদৃত বলে যে, আজ তাঁর জন্মদিন শুনে অবাক হয়ে যায়। এ সময় মোহনা বলে ওঠে, ‘আমি তোমাকে যেদিন খুঁজে পেয়েছি আমার জন্য ওটাই তোমার বার্থডে’।

Tollywood serial Grihaprabash, star jalsha, Ushasi Roy, Sushmit Mukherjee, Entertainmentnews, entertainment, বিনোদন, স্টার জলসা, অভিনেতা, অভিনেত্রী, টলিউড, গৃহপ্রবেশ, সুস্মিত মুখার্জী, ঊষসী রায়, সিরিয়াল, ধারাবাহিক

মোহনা-আয়ানের কথোপকথনে মোহনা বলে তার সমস্ত পছন্দের খাবার আজ অর্ডার করা হয়েছে। এমন সময় আয়ান হঠাৎ জিজ্ঞাসা করে ওঠে পায়েস অর্ডার করা হয়েছে কিনা। এরপর মোহনা পায়েসের ব্যবস্থা করতে গেলে আদৃত মনে মনে ভাবে ‘সত্যিই কি আমার জন্য কেউ পায়েসের ব্যবস্থা করত, কে সে?’। এরপর মোহনার অনুরোধে সবাই ক্যাফেতে আয়ানকে জন্মদিনের জন্য শুভেচ্ছা জানায়।

আয়ানের জন্মদিন পালনের সময় ক্যাফেতে থাকা এক ব্যক্তি চিনতে পারে আদৃতকে। সেই দেখে ক্যাফেতে থাকা ব্যক্তি ফোন করে শুভকে। ওদিকে, শুভকে ফোন করায় জানতে পারে আদৃত মারা গেছে। এই শুনে স্বপনদা (ঐ ব্যাক্তি) ফোন রেখে দেয়। অন্যদিকে, আবার দেখা যায় মোহনা আয়ানকে আরও এক সারপ্রাইজের কথা বলে। সারপ্রাইজটা হল, মোহনা যেদিন আদৃতকে খুঁজে পেয়েছিল সেদিন তাঁর জামার পকেট থেকে নদীয়ার কোনো এক মিষ্টির দোকানের বিল পেয়েছিল। এই শুনে, নদিয়া যাওয়ার জন্য খুব তাড়াহুড়ো করতে থাকে আয়ান।

আরও পড়ুনঃ গান গাইতে গিয়ে চোখে জল শ্রেয়ার! এক ঘন্টা ধরে বুঝেছিলেন গানের অর্থ! সেই বিশেষ স্মৃতি ভাগ করে নিলেন শ্রীজাত!

আয়ানকে শান্ত করে মোহনা বলে, কদিন পর তাঁর সেখানেই একটা মেডিকেল ক্যাম্প আছে সেখানে তাঁকে নিয়ে যাবে, যদি আয়ানের কিছু মনে পড়ে যায়। এরপর, আবারও ক্যাফে থেকে বেরোনোর সময় আদৃতকে দেখে শুভর স্বপনদা। ভাবে, একেবারে দেখতে আদৃতের মতো। ওদিকে, বাৎসরিক কাজের শেষে শুভ আদৃতের ফটো নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়িতে এক অচেনা ব্যক্তি এসেছে জিজ্ঞাসা করে এটা কি আদৃত রায়ের বাড়ি?

অচেনা ব্যক্তির নাম আকাশ সেন। এক বছর আগে এই আকাশের সঙ্গেই ডিল ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। তবে, কলকাতায় আকাশের আদৃতের সঙ্গে দেখা না হওয়ায় নিউইয়র্কের বাড়িতে চলে আসে আকাশ। রায় পরিবারের সঙ্গে আকাশের কথোপকথনে জানা যায় আদৃত যে প্রজেক্টটা শুরু করেছিল সেটা বন্ধু আছে বলে ৫০ মিলিয়ন লোকসান হয়েছে সেই ব্যবসায়ে। এদিকে, আবার আয়ান-মোহনা বাড়ি ফিরে দেখে তাঁর মাও বাড়িতে এসে গেছে। কথায় কথায় জানতে পেরে গেল আকাশ সেন আবার মোহনার দাদা। ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, আয়ান বলে ওঠে স্নো ফলের সময় ম্যানহাটন খুব সুন্দর লাগে দেখতে। এই সময় মোহনাকে বলতে শোনা যায়, আয়ান মাঝে মাঝে এমন কথা বলে ওঠে যেনো মনে হয় সে বিদেশে থাকত।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন