ফুলকি (Phulki) ও রুদ্র মুখোমুখি! শুভ শক্তির সঙ্গে অশুভ শক্তির চলছে জোড় টক্কর! জি বাংলার ফুলকি (Phulki) সিরিয়ালের আজকের পর্বে দেখা যাবে, বাড়ি থেকে পুলিশ চলে যাওয়াতে এমনকি বাড়ির বড়রাও চলে যাওয়ার পর রোহিত ফুলকির আসল কথাটা তাঁর ভাই বোনের সামনে বলে। রোহিত বলে, গতকাল সন্ধ্যেবেলা বাড়িতে কিছু না বলে বেরিয়ে যায় ফুলকি। সে নাকি অশোকনগরের পোড়া মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিল। এই কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে যায়। এই সময় লাবু সুযোগ বুঝে ফুলকির পাশে গিয়ে দাঁড়ায় এবং তাঁকে সাপোর্ট করে।
রুদ্ররূপ সান্যালের অন্তরধান মানে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকার মানুষ সে নয় বলেই মনে করে লাবণ্য। কোনো এক ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করছেন লাবু। এই সময় মনে মনে ফুলকি বলে, ‘যাক বাবা ভালোয় ভালোয় এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিল আমাকে কৈফিয়ত দেওয়ার হাত থেকে। এবার একবার দিদিকে যোগাযোগ করে সকালে কাল আসতে বলতে হবে’। লাবুর কথাতেই শায় দিয়ে ফুলকি সবাইকে বলল একটু সাবধানে থাকার কারণ জামাইবাবু কোথায় কি করে কিছুই বলা যায় না।

এত কিছু শোনার পরেও রোহিতের সন্দেহ কোন অংশে কমছে না ফুলকির উপর থেকে। অন্যদিকে, সকাল হতেই ফুলকি বেরিয়ে পড়ে জামাইবাবুকে দেখতে যাওয়ার জন্য। এই সময় দিদি তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে রুদ্ররূপের কোন খবর পাওয়া গেছে কিনা। ভোম্বল ফুলকি এবং দিদি যখন তিনজনে আলোচনা করছে রুদ্র কোথায় যেতে পারে এই সময় আচমকাই এসে হাজির হয় লাবণ্য। লাবু বলে, ‘আমিই রুদ্রকে সরানোর ব্যবস্থা করেছি। ও এখনো অন্য জায়গায় আছে, আমার হেফাজতে। পালাতে বা উধাও হতে কোনটাই করতে পারেনি’।
লাবুর কথা শুনে ঝিনুক তাকে জিজ্ঞাসা করে ‘আপনি কি করে জানলেন ম্যাডাম আমরা রুদ্র’দাকে আটকে রেখেছি?’ লাবু বলে, রান্নাঘরে ফুলকি ও তার দিদির সমস্ত কথোপকথন শুনে ফেলে সে। এই সময় ফুলকি লাবুর দুই হাত ধরে বলে ‘তুমি যে কি করে আমায় বারবার বিপদের থেকে বাঁচিয়ে নাও কে জানে?’ তখনই লাবণ্যও বলে ওঠে, তাঁকে ফুলকি নরক থেকে বাঁচিয়েছে সেই উপকার ভোলা কখনোই সম্ভব নয়।
আরও পড়ুনঃ শিরিনের বিপদে ছুটে এলো পারুল! ত্রিশূল হাতে গুন্ডাদের সঙ্গে লড়াই করলো নায়িকা!
এরপর লাবু যেখানে রুদ্রকে আটকে রেখেছে সেইখানে নিয়ে যায় ফুলকি এবং তার দিদিকে। এই জায়গায় পৌঁছানো মাত্রই ফুলকি বলে ওঠে এত যেন গুদাম ঘরের ডেরা। এই সময় লাবণ্য নানান পুরনো স্মৃতিচারণা করতে থাকে কীভাবে সে রুদ্র প্রতি যত্ন করত, রুদ্রর ভালোলাগা না ভাললাগা সবটাতেই খেয়াল রাখত সে। এরপর ফুলকিদের বলতে থাকে সে কিভাবে রুদ্রকে গুদাম ঘরে বন্দী অবস্থায় নিয়ে যায়।
লাবু এরপর ফুলকিদের সোজা নিয়ে যায় সেই গুদাম ঘরে যেখানে রুদ্রকে আটক করে রাখা রয়েছে আর বলে, ‘নাও ফুলকি এবার এই শয়তানটার পেট থেকে সমস্ত পাপের প্রমাণ বের কর’। এই বলে চলে যায় লাবণ্য। এরপর ফুল্কি উড়তার দিদি মিলে চোখে জল ঝাপড়া দিয়ে রুদ্র পেট থেকে সব কথা বার করার চেষ্টা করে। ফুলকি গরম রড দিয়ে রুদ্ররূপকে মারার চেষ্টা করলে সে অজ্ঞান হওয়ার নাটক করে। এই সময় সেই ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ফুলকির দিদি তাকে বলে ‘অজ্ঞান ফিরলে রুদ্ররূপ একবার হলেও ফরফর করার চেষ্টা করবে’। আগামী পর্বে দেখা যাবে রুদ্ররূপের জ্ঞান ফেরার পর হাতে পায়ে বাঁধা কোনরকমে দড়িগুলোকে খুলে স্বমহিমায় বলছে আগে তো রায়চৌধুরী পরিবারকে পুড়িয়ে শেষ করতে হবে’ অর্থাৎ মনে মনে রায়চৌধুরী পরিবারকে শেষ করার ফন্দি আটছে রুদ্র।
