দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Television Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে অংশু রিকিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলে থানায় যায় রুদ্র সেখানে গিয়ে বোনকে ছড়িয়ে আনতে। কিন্তু অংশু তো কোনো মতেই রিকিকে ছাড়বে না। অংশু বলে ফুলকিরা সবাই সাক্ষী আছে। কিন্তু রুদ্র বলতে থাকে তারা রিকিকে দিয়ে জোর করে তাদের মতো করে কথা বের করে নিয়েছে। এ পর লাবণ্যরা সবাই মিলে থানায় আসে। রিকিও বলতে থাকে ফুলকিরা তাকে মারধর করে জোর করে মিথ্যে কথা বলিয়ে নিয়েছে।

এরপরে ফুলকি থানাতেই সবার সামনে রুদ্রকে চ্যালেঞ্জ করে যে রুদ্র যে সমস্ত অন্যায় করেছে ফুলকি তার প্রমাণ জোগাড় করে সামনে নিয়ে আসবে। তথার মৃত্যু আর রোহিতের বক্সিং জগৎ থেকে ছিটকে যাওয়ার পেছনে রুদ্র যে ষড়যন্ত্র করেছে সেই সবকিছু প্রমাণ করে দেবে ফুলকি। আর ফুলকির এই রূপ দেখে খানিকটা হলেও ঘাবড়ে যায় রুদ্র।
এদিকে ফুলকি রোহিতকে দিল্লি যাবার জন্য জোর করতে থাকে। ফুলকির কথা মেনে রোহিত দিল্লি যাবার টিকিটের ব্যবস্থা করে। এই বিষয়ে কিছুই জানে না হৈমন্তী। যখন হৈমন্তী জানতে পারে ফুলকিরা দিল্লি যাচ্ছে তখন জেঠু জানায় তারা তথার মৃত্যু তদন্ত করতে দিল্লি যাচ্ছে। তিনি এখনো বিশ্বাস করে রোহিতই খুন করেছে তার বড় দাদা তথাকে।
আরও পড়ুনঃ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হাতে অস্ত্র তুলে নিলো পারুল! ঘটে গেল সাংঘাতিক ঘটনা!
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকির সামনেই কম্পিটিশন রয়েছে সেই মতনই রোহিত প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ফুলকির ট্রেনিং শুরু করেছিল। ফুলকি আন্তর্জাতিক স্তরে খেলার সুযোগ পাবে কিনা তা তো কারোর জানা ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই ফুলকির নাম বাছাই করা হয় আন্তর্জাতিক স্তরে খেলার জন্য।
