জি বাংলার ( Zee Bangla ) ফুলকি ( Phulki ) -তে দেখা যায় রুদ্র বেড়াতে এসে বারবার ফুলকিকে মারার চেষ্টা করে কিন্তু এই চেষ্টা একেবারেই সফল হয় না। প্রথমবার রোহিত ফুলকিকে বাঁচিয়ে নেয় দ্বিতীয়বার ফুলকিকে বাঁচিয়ে নেয় অংশুমান। তবে রুদ্র হাত পা গুটিয়ে বসে থাকার ছেলে নয় সে ঈশিতার সঙ্গে এবার নিজের পরিকল্পনা সফল করবে বলে উঠে পড়ে লেগেছে। ফুলকির রুদ্রকে সন্দেহ হলেও প্রমাণের অভাবে সে কিছুই বলতে পারছে না।
ফুলকি আজকের পর্ব ২ অক্টোবর (Phulki today full episode ২ অক্টোবর)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় ফুলকির জন্য পাতা ফাঁদে পড়ে গেল অংশুমান। ফ্যানটা খুলে পড়ে গেল আর মাথায় চোট পেল অংশুমান! পারমিতা চিৎকার করে ওঠে আর পারমিতা চিৎকারে সকলেই চলে আসে। ফুলকি তো ঘরে ঢুকে অবস্থা দেখে চমকে যায়। ফুলকি ভাবে, এই ঘরে তো আজকে আমার থাকার কথা ছিল তবে কি আমার ক্ষতি করবার জন্যই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল? অন্যদিকে লাবু চিৎকার করে রুদ্রকে ডাকতে থাকলে রুদ্র ভাবে, লাবু এমন চিৎকার করছে মানে ফুলকি শেষ হয়ে গেছে!

কিন্তু ঘরে ঢুকে দেখে ফুলকি দিব্যি দাঁড়িয়ে আছে। ক্ষতি হয়ে গেছে অংশুর! রুদ্র লাবু সবাই তখন জানতে পারে যে পারমিতা ঠান্ডা লাগার জন্য পারমিতা আর অংশুমান এই ঘরে ছিল! সব শুনে রুদ্রভাবে ফুলকির ভাগ্যটা খুবই ভালো বারবার বেঁচে যাচ্ছে! এরপর সকলে জিজ্ঞেস করে কিন্তু এমনটা কী করে হতে পারে? কিন্তু রুদ্র আর দীননাথ নিজেরা ষড়যন্ত্র করে গেস্ট হাউসে ভূত আছে বলে রটিয়ে দেয়। রুদ্র কেয়ারটেকার দীননাথকে ডাকলে সে বলে এটা ভূতের কারসাজি, আপনারা মেয়েরা কিন্তু একটু সাবধানে থাকবেন কেমন!
রোহিত বলে, তাহলে এমন জায়গায় আপনারা সব টুরিস্ট স্পট খুলেছেন কেন? কেয়ারটেকার বলে, আগে তো কখনও এমন হয়নি, এবার যে কেন এত বেশি হচ্ছে! ঠিক বুঝতে পারছি না। এরপর রুদ্র দীননাথের সাথে পরিকল্পনা করে নতুন করে আবার কিছু করার! দীননাথ বলে একটু সময় দিন, রুদ্র বলে সময় লাগুক কাজটা যেন ঠিক হয়। অন্যদিকে রুদ্র আর কেয়ারটেকারের এই কথা শুনে লাবুর মনে সন্দেহ হতে থাকে, লাবু রুদ্রকে জিজ্ঞেস করলে রুদ্র তার গায়ে গরম চা টা ফেলে দেয় সেটা দেখে ফুলকি বুঝতে পারে জামাইবাবু সবটাই ভালো মানুষী করছে, কিন্তু আসলে আগের মতই রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ তীর্থঙ্করের কারসাজিতে ফেঁসে গেল অনিকেত!শ্যামলী কীভাবে বাঁচাবে অনিকেতকে?
রুদ্র যখন দেখে ফুলকি চলে এসেছে তখন সে আবার ভালো মানুষীর নাটক করতে থাকে। এরপর ফুলকি রুমাল নিয়ে একটি খেলার ব্যবস্থা করে, এই খেলাতে যার পিছনে রুমাল থাকবে সে যদি বুঝতে না পারে তাকে কিল চড় মারা হবে। আসলে এই সবটাই ঈশিতা আর রুদ্রকে খেলার ছলে মারার জন্য করেছে ফুলকি আর তমাল মিলে। এরপর তমাল ঈশিতার পিছনে রুমাল রেখে তাকে মারে আর ফুলকি তো ঠিক করেই রেখেছে সে জামাইবাবুর পেছনে রুমাল রেখে তাকে মারবে। আগামি পর্বে তাহলে ফুলকির হাতে রুদ্রকে মার খেতে দেখব! কিন্তু এরপর কি রুদ্রর রাগ আরও বেড়ে যাবে?
