জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে ( Kon Gopone Mon veseche ) তে দেখা যায় অপরাজিতার কাছে শ্যামলী বলে সে ভালোবাসে অনিকেতকে। কিন্তু অনিকেতের জন্য সে বাড়িও ছাড়বে না আর অনিকেতকে সে নিজে গিয়ে ফিরিয়েও আনবে না। কারণ সে চায় অনিকেত যে ভুলটা করেছে, সে ভুলটা সে নিজে বুঝতে পারুক। অনিকেত নিজে ফিরে আসুক, সে তার বাবাকে যে অপমান টা করেছে তার জন্য ক্ষমা চাক। কিন্তু অপরাজিতা শ্যামলীর কথাটা বুঝতে পারে না।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ১ অক্টোবর ( Kon Gopone Mon Veseche Full Episode 1 October )
আজকের পর্বে দেখা যায় অপরাজিতা শ্যামলীকে বোঝাতে থাকে তুমি যদি অনিকে সত্যিই ভালোবাসো তাহলে অনির জন্য তুমি এটুকু করতেই পারো। শ্যামলী তখন বলে না ম্যাডাম আমার নিজেরও তো একটা আত্ম সম্মান আছে। স্যার সবসময় আমাকে অপমান করে তা সত্ত্বেও অফিসে গিয়ে আমি স্যারের খেয়াল রাখি, স্যারের কখন কী প্রয়োজন সেটা দেখি। কিন্তু আমি এই কাজটা করতে পারব না তাছাড়া এখানে আমি স্যারের স্ত্রীর অধিকারে নেই। আমি আছি এই বাড়ির একজন মেয়ে হিসেবে, এখন আমি আমার বাবার পাশে দাঁড়াব, সেটাই আমার কর্তব্য।

অপরাজিতা তো খুব রেগে যায় আর শ্যামলী তাকে বলে আচ্ছা ম্যাডাম আপনি সেদিন ফ্ল্যাটে গিয়ে কী এমন দেখেছিলেন যে আপনি আমার কাছে ক্ষমা চাইছেন স্যারকে ফিরিয়ে আনতে বলছেন, স্যার তো এখন অহনা ম্যাডামের সাথে আছে তাহলে তো স্যারের ভালো থাকারই কথা তাই না! অন্যদিকে অহনা অনিকেতের জন্য খাবার করতে গিয়ে সেটা পুড়িয়ে ফেলে সে তখন অনিকেতকে গিয়ে ক্ষমা চায় এবং অনিকতকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু অনিকেতভাবে শ্যামলী তাই তার মুখ থেকে শ্যামলীর নাম বেরিয়ে যায়।
এরপর অনিকেত অহনার কাছে ক্ষমা চাইলেও অহনা বুঝতে পারে যে অনিকেত আসলে শ্যামলীর প্রেমে পড়ে গিয়েছে, অহনার পক্ষে আর কিছুই করা সম্ভব নয়। অনিকেত যদিও বলে সবটা মানিয়ে নিতে তার একটু সময় লাগবে, কিন্তু অহনা অনিকেতের মন বুঝতে পারে। অন্যদিকে ক্যান্টিনে কফি নিয়ে চলে যেতে চাইলে শ্যামলী বলে আজকে ম্যাডামের হাতের তৈরি পালং শাকের প্যান কেক রয়েছে! এরপর অনন্যা সেখানে এসে বলে একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিং রয়েছে শ্যামলী সবার জন্য কফি নিয়ে এসো।
আরও পড়ুনঃ পারমিতার সিঁদুরে মেঘ! ফুলকিকে বাঁচাতে রুদ্রর কো’পের মুখে অংশুমান!
মিটিং এ গিয়ে সকলে জানতে পারে অনিকেত যে টেন্ডারটা করছিল, সেই টেন্ডারটা ইতিমধ্যে অন্য একটা কোম্পানি পেয়ে গেছে। যেটা নিয়ে সবাই আলোচনা করতে থাকে। অন্যদিকে অমিতাভ বাবু অনিকেতকে জিজ্ঞেস করে, কী করে এমনটা হল যেটা তুমি নিয়ে কাজ করছিলে সেটা অন্য কোম্পানি কী করে পেয়ে গেল? অনিকেত বলে স্যার আমাকে একটু সময় দিন, আমি আশা করি সবটা বুঝতে পারব। অন্যদিকে শ্যামলী ওদের কথাবার্তা শুনে বুঝতে পারে অনিকেতকে কেউ ফাঁসাতে চাইছে! শ্যামলী কী তবে ধরে ফেলবে তীর্থঙ্করের চাল?
