Bollywood

যে মেয়েকে সবসময় আগলে রাখেন ঐশ্বর্য, আজ তার কারণেই প্রশ্নের মুখে বিশ্বসুন্দরী!

বচন পরিবারে একমাত্র ছেলের কন্যা সন্তান আরাধ্যা বচ্চনকে (Aradhya Bacchan ) নিয়ে আলাদা করার কিছুই বলার নেই। একমাত্র অভিষেক-ঐশ্বর্যের (Abhisek-Aiswariya) একমাত্র সন্তান আরাধ্যা ছোটবেলা থেকেই মা বাবার আদরের বড় হয়েছে। তাকে একাধিকবার মা-বাবার সঙ্গে পাপ্পারাজিৎদের ক্যামেরার সামনে নানান ভাবে ধরার দিয়ে দেখা গিয়েছে। তবে বেশ অনেক মাস ধরেই সপরিবারে আর দেখা যায় না তাদের। মা ঐশ্বর্যের সঙ্গেই বেশিরভাগ সময়ে ধরা দেয় আরাধ্যা।

এ কারণেই এবার বিরাট বড় প্রশ্নের মুখে পড়তে হলো ঐশ্বর্যকে। আমরা সকলেই জানি গত এক বছর ধরে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং অভিষেক বচ্চনের সম্পর্ক নিয়ে নানান রকম কথা হচ্ছে সারা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। বচন পরিবারের সঙ্গে ঐশ্বর্য রাইয়ের ঝামেলার নানান ছবি উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। তারা নাকি ডিভোর্সের পথ বেছে নিতে চলেছেন, আবার কখনো শোনা গিয়েছে তারা নাকি অনেকদিন ধরেই আলাদা থাকছেন।

ঐশ্বর্য রাগ করে নাকি নিজের মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়ি রয়েছেন বর্তমানে। এই ধরনের নানান কথা ঘুরছিল চারিদিকে। তবে এই নিয়ে অতীতে কখনই মুখ খুলতে দেখা যায়নি বচ্চন পরিবারের সদস্যদের। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে বচ্চন পরিবারে ভাঙ্গন ধরেছে। ঐশ্বর্য রাই নাকি শ্বশুর বাড়ি থেকে চলে গিয়েছেন মেয়েকে নিয়ে, থাকছেন বাপের বাড়িতে মা এর সাথে।

প্রশ্নের মুখে প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী

এসব গুঞ্জনের মাঝেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়লেন ঐশ্বর্য রাই। সব সময় মেয়েকে সব জায়গাতে বগলদাবা করে নিয়ে যান ঐশ্বর্য। সম্প্রতি প্যারিসের একটি ফ্যাশন শো তে নিয়ে গিয়েছিলেন মেয়েকে। সেখানে গিয়েই সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন কেন তিনি সবসময় নিজের মেয়েকে সাথে করে নিয়ে যান। এই প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা সাংবাদিকদের উচিত জবাব দিয়েছেন ঐশ্বর্য।

আরও পড়ুন: পিয়াল পায়েলের প্রেম জমে ক্ষীর! এর মাঝেই ফুলকির জন্য মরণ ফাঁদ পাতল রুদ্র!

ঐশ্বর্য জানিয়েছেন ‘আরাধ্যা আমার সন্তান, তাই আমি সবসময় ওকে আমার সাথে করেই নিয়ে যাব। যেখানেই যাই না কেন আরাধ্যকে আমি কখনো চোখের আড়াল করি না। আর সেই কারণেই সব সময় আমার সঙ্গে আমার কন্যাকে দেখা যায়। এই নিয়ে কারো সমস্যা হওয়ার কথা না।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের যোগ্য জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন