জি বাংলার ( Zee Bangla ) ফুলকি ( Phulki )তে দেখা যায় রায়চৌধুরী বাড়ির সকলে মিলে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যদিও এই পরিকল্পনা করেছে ফুলকি আর সেটাকে বাস্তব করেছে রোহিত। তবে ফুলকি রোহিত না চাইতেও বাড়ির সকলের সাথে রুদ্রও যেতে রাজি হয়ে গেছে, যেটা নিয়ে বেশ চিন্তায় আছে ফুলকি। অন্যদিকে ফুলকির ভালো মন্দ নিয়ে বেশ চিন্তায় আছে রোহিতের মাও। তবে রোহিত কথা দিয়েছে সে ফুলকিকে আগলে রাখবে।
ফুলকি আজকের পর্ব ৩০ সেপ্টেম্বর (Phulki today full episode 30 September)
আজকের পর্বের শুরুতেই পায়েল ও পিয়ালের প্রেম করা দেখে ফুলকি রোহিতকে বলে স্যার এতগুলো ডাব কিনবার কোনও দরকার নেই। আমি আর আপনি একটা ডাব ভাগ করে খাব, দাদাভাই আর দিদিভাই একটা ডাব ভাগ করে খাবে আর তমাল দাদা আর চিংড়ি দিদি একটা ভাগ করে খাবে- এটা শুনে অংশুমান বলে পারমিতা যদি আপত্তি না করে তাহলে আমার কোনও অসুবিধা নেই। অন্যদিকে তমাল বলে মাথা খারাপ নাকি? এমনিতেই ঈশিতা রেগে আছে! কী জানি কী হবে।

অন্যদিকে তিওয়ারি রুদ্রকে ফোন করে। রুদ্র বলে তুমি প্রস্তুত আছো তো ? তেওয়ারি বলে, হ্যাঁ স্যার আপনি বললেই আমি চলে যাব। রুদ্র তখন বলে, আমি ফুলকিকে আইসক্রিমের ঐদিকটা করে নিয়ে যাচ্ছি, তুমি পিছন থেকে এসে ওকে শেষ করে দেবে। এইভাবে ফুলকিকে পুরো প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করতে থাকে রুদ্র, অন্যদিকে লাবু, হৈমন্তীর বলা কথা ভেবে মন খারাপ করতে থাকে।
হৈমন্তী তাকে বলেছিল রুদ্রকে নিজের কাছে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য সন্তান নেওয়ার কথা ভাবতে কিন্তু লাবু বুঝতে পারে না কোনদিনও তাদের সম্পর্কটা আদৌ স্বাভাবিক হবে কিনা! ঠিক এইরকম সময় রুদ্রভাবে লাবুকে কিছুতেই তার ওপর সন্দেহ হতে দেওয়া যাবে না, সেই কারণে লাবুকে রুদ্র নিজের কাছে ডেকে নেয় আর বলে লাবু তুমি এখানে একা একা বসে আছো কেন? চলো তোমায় আইসক্রিম খাইয়ে আনি। আইসক্রিমের দোকানে যাওয়ার পরে রুদ্র লাবুকে বলে ফুলকিওতো আইসক্রিম খেতে ভালোবাসে, ফুলকিকেও ডেকে নাও।
এরপর লাবু ফুলকিকে আইসক্রিম খাওয়ার জন্য ডাকলে পিছন থেকে রুদ্রর ঠিক করা গাড়ি ফুলকিকে মারতে চলে যায়। সবাই তো চোখ বন্ধ করে নেয় আর ভেবে নেয় ফুলকি শেষ হয়ে গেল কিন্তু ঠিক মুহূর্তে রোহিত এসে ফুলকিকে বাঁচিয়ে নেয় এবং সে অন্ধের মত হাঁটছিল বলে তাকে দু একটা কথা শোনায়। এই ঘটনায় রুদ্র রেগে যায় ফুলকির ভাগ্য কতটা ভালো এটা ভেবে। অন্যদিকে ফুলকি আবার সন্দেহ করতে শুরু করে রুদ্রকে সে তার সন্দেহের কথা রোহিতকে জানিয়ে দেয় কিন্তু রোহিত বিশ্বাস করে না
আরও পড়ুনঃ যে মেয়েকে সবসময় আগলে রাখেন ঐশ্বর্য, আজ তার কারণেই প্রশ্নের মুখে বিশ্বসুন্দরী!
অন্যদিকে নতুন হোটেলে গিয়ে পায়েল ধানুর সাথে শুতে চাইলে পিয়ালের কথা শুনে ধানু বলে সে কারও সাথে রুম শেয়ার করতে পছন্দ করে না, আর রুদ্র এসে বলে হোটেলের কেয়ারটেকার বলল, হোটেলে নাকি ভূত আছে! যেটা শুনে ফুলকি খুব খুশি হয়ে যায়। কিন্তু সবাই ভয় পেয়ে যায়। অন্যদিকে রুদ্র ভাবে, এবার তোমাকে আর কোনোভাবেই প্রাণে বাঁচতে দেব না ফুলকি। তাহলে কি এবার সত্যি সত্যি ফুলকি মারা যাবে?
