জি বাংলার (Phulki) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (phulki)। বর্তমানে দিনে দিনে বাড়ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা। পর্দায় অভিষেক বসু (Abhishek Bose) এবং দিব্যানি মন্ডলের (Devyani Mondal) রসায়ন ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শকরা। পাশাপাশি খল চরিত্রে অভিনেত্রী শার্লি মোদকের (Sharly Modak) দুর্দান্ত অভিনয় তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলা ধারাবাহিক প্রেমীদের। তবে বর্তমানে শালিনীর কারণে উত্তাল রোহিত-ফুলকির ভালোবাসার গল্প। রুদ্রর সঙ্গে চক্রান্ত করে ফের রোহিত-ফুলকিকে আলাদা করার প্ল্যান করেছে শালিনী।
নিজের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য রায় চৌধুরী বাড়িতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে যাওয়ার নাটক শুরু করেছে শালিনী। আর সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে মিডিয়ায় ঈশিতা এই খবরটা ছড়িয়ে দিয়েছে যে রোহিত শালিনীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আর সেই কথার খেলাপ করায় শালিনীর ভারসাম্য হারিয়েছে। কথাটা শুনেই সেই নিয়ে তোলপাড় হয়ে যায় সংবাদ মাধ্যম। সকলে ধিক্কার জানাতে থাকে রোহিতকে। আর সেই কারণেই বাধ্য হয়ে রুদ্রর কথা শুনে মিডিয়ার সামনে শালিনীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হয় রোহিত।

ফুলকি আজকের পর্ব ১ আগষ্ট (Today Episode 1 August)
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে রোহিতের কথা শুনে প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করে রুদ্র। মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসা হয় শালিনীকে। শালিনীর পরিস্থিতি দেখে সকলেই অপমান করতে শুরু করে রোহিতকে। বাধ্য হয়েই রোহিত মিডিয়াকে বলতে যায় সে শালিনীকে বিয়ে করবে কিন্তু তখনই কমলিকাকে নিয়ে চলে আসে ফুলকি। কমলিকা মিডিয়ার লোকেদের জানায় রোহিত এরকম কথা কখনও বলেনি আর সেটা শালিনী নিজেই তাকে বলছে।
সত্যিটা সকলের সামনে নিয়ে আসল কমলিকা
কমলিকার কথা শুনে কমলিকার ওপর প্রশ্নের বাণ ছুড়তে থাকে সাংবাদিকরা। তখনই কমলিকা জানান তার কাছে প্রমাণ আছে। ফুলকি তমাল আর পিয়ালকে বলে স্ক্রিন নিয়ে আসতে। এরপরই চালানো হয় কমলিকার অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ। যেখানে স্পষ্ট দেখা বা শোনা যাচ্ছে শালিনী কমলিকাকে বলছে রোহিত শালিনীকে বিয়ে করতে চায়না কিন্তু শালিনী রোহিতকে জোর করে বিয়ে করতে চায়। কথা শুনে মাথায় হাত পড়ে যায় রুদ্রর।
আরও পড়ুন: বিয়ের পর হঠাৎ বদলে গেল সব! থমকে গেল জীবন! মা’নসিক রোগে আক্রান্ত শ্বেতা!
বন্যার সময় কে বাঁচিয়েছিল শালিনীর প্রাণ?
পরিস্থিতি বুঝে সেখান থেকে চলে যায় শালিনী। যদিও রোহিতের নজর শুধুমাত্র ফুলকির দিকে।
ফুলকিকে ঘরে নিয়ে আসে রোহিত। তারপরই নিজের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে ফুলকিকে জড়িয়ে ধরে সে। এদিকে ঘরে গিয়ে সমস্ত কিছু ভাংচুর করতে শুরু করে শালিনী। বন্যার দিনের কথা স্মরণ করে শালিনী বলে সেদিন তাকে ওঠা থেকে তিওয়ারি উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছিল, তারপরই তাকে রেখে দেওয়া হয় মানসিক হাসপাতালে। কিন্তু এত সব কিছু করার পরও ফুলকি দাস সব শেষ করে দিল। তাহলে কি এবার শালিনীর সত্যিটা বের করে আনতে পারবে ফুলকি? নাকি নতুন ষড়যন্ত্র করবে রুদ্র আর শালিনী।
