বাংলা টেলিভিশন জগতের (Bengali Television) একটি অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হলেন শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharya)। বহু বছর ধরে বাংলা বিনোদন জগতে একের পর এক অসাধারণ ধারাবাহিক দর্শকদের উপহার দিয়ে চলেছেন অভিনেত্রী শ্বেতা। কাজের জায়গা থেকে শুরু করে নিজের ব্যক্তিগত জীবন সব জায়গাতেই অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং স্পষ্টভাষী মেয়ে হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছে অভিনেত্রী। তবে এইবার হঠাৎ করেই এক ঝাঁক দ্বন্দ্ব বাসা বাঁধলো তার মনে। শিকার হলেন মানসিক রোগের। কী হয়েছে তার?
নতুন নতুন বিয়ে মানেই বিবাহিত মানুষ দুটোর চোখ জুড়ে একগুচ্ছ নতুন স্বপ্নের আনাগোনা। নতুন একটা বাড়ি, নতুন একটা ঘর, কিছু নতুন মানুষ, তাদেরকে আপন করে নেওয়া আর নিজের একটা সংসার। কিন্তু সেই নতুন বিয়ের পরে যদি পাল্টে যায় সবকিছু? বিয়ে হওয়ার পরেই যদি আপনি দেখেন সব চরিত্র কাল্পনিক! ঠিক এমনই একটা গল্প নিয়ে আসছে নতুন ওয়েব সিরিজ, অরিন্দম চক্রবর্তী পরিচালিত, ‘আমি নন্দিনী’। এই সিরিজের মুখ্যভূমিকায় দেখা যাবে শ্বেতা ভট্টাচার্য্য (Sweta Bhattacharyya) ও সৌরভ দাস (Sourav Das)-কে।
খুব বেশিদিন হয়নি মুক্তি পেয়েছে ‘ফ্রাইডে’ অ্যাপটি। ক্যামেলিয়া প্রযোজনা সংস্থার তরফে দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে নতুন এই অ্যাপটি। আর সেই সঙ্গে তার পিছু পিছু চলে এসেছে এক গুচ্ছ নতুন ওয়েব সিরিজ যেগুলি দেখা যাবে শুধুমাত্র ‘ফ্রাইডে’ অ্যাপটিতে। এরমধ্যেই একটি অন্যতম সিরিজ হল, ‘আমি নন্দিনী’। এর আগে সিনেমা ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন শ্বেতা। কিন্তু ওয়েব সিরিজে দেখা যায়নি শ্বেতাকে। এটাই শ্বেতার প্রথম ওয়েব সিরিজ। গল্পও তাঁকে ঘিরেই।
এই গল্পটির একেবারে শুরুর দিকে দেখানো হয়, বিয়ে হওয়ার পরে আর পাঁচটা মেয়ের মতনই নতুন শ্বশুরবাড়িতে আসে অরুণিমা। কিন্তু তার পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক অবাঞ্চিত গন্ডোগোল। কখনো বরণের সময়ে প্রদীপ নিভে যেতে দেখা যায় আবার কখনো দেখা যায় সাদা কাপড়ের ওপর আলতা পরা পায়ের উল্টো ছাপ! গোটা বিষয়টাই ভীষণ রহস্যজনক। ফুলসজ্জার রাতে, হঠাৎ আবিস্কার করা হয়, অরুণিমা বাড়ির ছাদের কার্ণিশ দিয়ে হাঁটছে।
আরও পড়ুন: ফুলকির হাতে শালিনীর প্রাণ ভ্রমরা! কমলিকার সাহায্যে শালিনীর প্ল্যান ভেস্তে দিল ফুলকি!
কে এই নন্দিনী?
এইরকম একটি রোমহর্ষক মুহূর্তে তাকে অরুণিমা বলে ডাকা হলে, উত্তর আসে, ‘আমি নন্দিনী’। শুনেই গাঁয়ের লোম খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই নন্দিনী আর কে এই মেয়েটি? এই বাড়ির সঙ্গে কী সম্পর্কই বা জড়িয়ে রয়েছে তার? প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় এটা একটা ডুয়াল পার্সোনালিটির সমস্যা। এই নন্দিনী কি সত্যিই শুধুই একটা নাম? নাকি এই নামের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে এই বাড়ির অনেক দিনের ইতিহাস? বাড়ির আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেই গল্পই বলবে নতুন ওয়েব সিরিজ, ‘আমি নন্দিনী’।
