ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠাই (Mithai)। আর জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করা অভিনেত্রী সৌমীতৃষা কুণ্ডু (Soumitrisha Kundoo)। চলতি বছরের জুন মাসেই শেষ হয়ে গিয়েছে মিঠাই। তারপর পরই ছোট পর্দা ছেড়ে বড়পর্দায় পা বাড়িয়েছেন অভিনেত্রী। আর পা বাড়িয়েই কেল্লাফতে! টলিউডের (Tollywood) এই মুহূর্তের এক নম্বর নায়ক দেবের বিপরীতে করেছেন তিনি। তারপর নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি আদৃত-কৌশাম্বীর বিয়ে নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। আদৃত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে সৌমীতৃষা জানান, ”এমন কোনও ব্যাপার নেই। যখন একটা জুটি হিট হয়, যে কোনও সিরিয়ালের ক্ষেত্রেই মানুষ ধারণা করে নেয় নায়ক-নায়িকা প্রেম করছে। কিন্তু আদৃত আর আমার মধ্যে ভাল বন্ধুত্ব ছিল বরাবর।”
যখন স্রেফ ভাল বন্ধুই ছিলেন তাহলে বিয়েতে এলেন না কেন সৌমীতৃষা? অভিনেত্রী বলেন, ”আমিতো সৌরভদা, দর্শনাদির বিয়েতে যেতে ভুলে গেছি! আমি একটু খামখেয়ালি ধরনের। হতে পারে কার্ড পেয়ে আমি যাইনি। ভুলে গেছি। আমার উল্টোটাও হতে পারে। কার্ড পাইনি, তাই যেতে পারিনি!”
আসলে দুটোর মধ্যে কোনটা? খানিক অস্বস্তিতে পড়লেও, সৌমীতৃষা ঝলমলে হাসি নিয়ে উত্তর দেন, ”মনে হয় নেমন্তন্ন করতে ভুলে গিয়েছে।” শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল? অভিনেত্রীর কথায়, ”না আমারও আর জানানো হয়নি।” ভাল সম্পর্ক প্রাক্তন সহকর্মী সঙ্গে। নিজের মুখে সৌমীতৃষা জানান, তাঁর ও আদৃতের মধ্যে খুনশুটির সম্পর্ক। তাহলে কেন ডাকা হল না সৌমীতৃষাকে? যেখানে উপস্থিত ছিল গোটা ‘মিঠাই’ পরিবার? উত্তর নেই।
প্রসঙ্গত, মিঠাই শেষ হয়ে যাওয়ার পর একাধিক কোস্টারকে আনফলো করেছিলেন সৌমীতৃষা। সমাজমাধ্যমে এ নিয়ে চলেছিল জোর তরজা। তবে কী বড় পর্দায় কাজ করে অহংকারী হয়ে গিয়েছেন? উত্তরে সৌমীতৃষা বলেন, “অভিজ্ঞ না অহংকারী? দুটো কিন্তু আলাদা। লোকে বলে, খারাপ সময়ে মানুষ চেনা যায়। ভাল সময় যায় না? ভাল সময় মানুষ চিনলে মানুষ অহংকারী হয়ে যায়?”
আনফলো বিতর্কের জবাবে অভিনেত্রী বলেন,”সমাজমাধ্যমে আমরা যা দেখি, বেশির ভাগটাই নকল। এভাবে কাউকে বিচার করা যায় নাকি। এমনতো অনেককে আমি ফলো করেছি, আনফলো করেছি। এবার সেই মাপ কাঠিতে সম্পর্ক মাপা যায় নাকি!”
