অস্ত্র থেকে বুদ্ধির জোর বেশি আর এই কথাটা আবারও একবার প্রমাণ করে দিলো জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। এত বছরের সম্পর্ক হওয়া সত্ত্বেও ধারাবাহিকের নায়ক রোহিতের প্রাক্তন শালিনী যেটা করতে পারেনি সেটাই করে দেখিয়েছে ফুলকি। প্রতিপক্ষ চ্যানেলের একের পর এক প্রতিযোগী ধারাবাহিককে মাত দিচ্ছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের সেই শুরুর দিন থেকেই যবে থেকে ফুলকির সাথে রোহিতের আলাপ হয়েছে, ফুলকি সব সময় রোহিতকে আগলে রাখার চেষ্টা করেছে তার ভালো করার চেষ্টা। রোহিতের উপর আসা সমস্ত বিপদকে হাসিমুখে নিজের উপর নিয়ে নিয়েছে ফুলকি। সব সময় চেষ্টা করেছে যাই হয়ে যাক না কেন রোহিত যেন সবসময় সুখী হয়। এইবার রোহিতের কলঙ্ক ঘোচাতে নিজের জীবনকে বিপন্ন করতে একবারও ভাবেনি ফুলকি।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি যখনি জানতে পারে নিষিদ্ধ ওষুধ দিয়ে একজন খেলোয়াড়ের জীবন নষ্ট করে দেওয়ার পিছনে জামাল ভাইয়ের হাত আছে তখনই সে কোন কিছুর পরোয়া না করে প্রমাণ জোগাড় করতে এবং রোহিতকে নির্দোষ প্রমাণ করতে একাই চলে যায় জামাল ভাইয়ের ডেরায়। সেখানে গিয়ে সমস্ত প্রমাণ জোগাড় করে ফেলে ফুলকি। দুর্ভাগ্যবশত জামাল ভাইয়ের হাতে ধরা পরে যায় সে।
আরও পড়ুন: চাপে পড়ে রাজবাবুর আসল পরিচয় জানিয়ে দিলো জামাল! মহা বিপাকে রুদ্র! নিজের হারানো সম্মান ফিরে পেলো রোহিত!
জামাল ভাই ফুলকিকে শেষ করে দেওয়ার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে ফেলা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেখানে পৌঁছে যায় রোহিত। সে ফুলকিকে সেই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে। এরপর পুলিশ স্টেশনে গিয়ে সমস্তটা তাদেরকে জানায়। পুলিশ ঠিক করে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে এ বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করা হবে। আর সেই সম্মেলনেই রোহিতকে নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করা হবে। কথাটা শুনে ভীষণ খুশি হয় রোহিতের পরিবার। কিন্তু অত্যন্ত চাপে পড়ে যায় রুদ্র আর শালিনী।
প্রেস কনফারেন্সে উঠে এলো রুদ্রর নাম
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শুরু হয়ে গেছে প্রেস কনফারেন্স। শালিনী আর রুদ্র প্রচন্ড ভয় পেয়ে গিয়েছে। তারা কোনমতেই চায় না তাদের নামটা এখানে উঠে আসুক। এমন সময় ক্রীড়া মন্ত্রী সবাইকে জানায় এই জঘন্য ঘটনার পিছনে একটা ভয়ংকর নাম উঠে আসছে আর তার বিষয় খোলসা হবে এই সম্মেলনে। এটা শোনা মাত্রই রুদ্রর মনে জমে থাকা ভয় আরো দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। সে বুঝতে পারেনা, এবার যদি তার নামটা সবার সামনে বেরিয়ে পড়ে তাহলে কোথায় গিয়ে মুখ লুকাবে সে।
