জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ (Phulki)। যতদিন যাচ্ছে তত বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই মেগা। এই ধারাবাহিকেও একঘেয়েমীর কোন জায়গা নেই। এই মেগা দর্শকদের এক মুহূর্তের জন্যেও একঘেয়ে অনুভব করতে দেয় না। চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম। বর্তমানে অনেক বড় রহস্য সমাধানের নেমেছে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা রোহিতকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চায় আর সেই জন্য দিল্লিতে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজেকে আরও বেশি মেলে ধরেছে ফুলকি। সে কোনোভাবেই এই সুযোগটাকে হাতছাড়া করতে দিতে চায়নি। তবে ফুলকি কিছুতেই বুঝতে পারছিল না কোথা থেকে কি শুরু করবে, কিন্তু নিজের থেকেই এক সুবর্ণ সুযোগ এলো তার কাছে।
ফুলকি আজকের পর্ব ৩০ মে (Phulki Today Episode 30 may)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ফুলকি রোহিতকে বলে, সে যেন শালিনীকে এত বিশ্বাস না করে। ঠিক সেই সময় সেখানে চলে আসে শালিনী। তার পায়ের ব্যথা হঠাৎ সেরে যাওয়ায় ফুলকি রোহিতকে হাতেনাতে প্রমাণ দিয়ে বলে, এত তাড়াতাড়ি একটা মানুষের পায়ে ব্যাথা সেরে যেতে পারে? এইবার বিষয়টা রোহিতেরও বেশ খটকা লাগে। সেও ভাবতে থাকে শালিনী আগের থেকে অনেকটা বদলে গিয়েছে।
নিষিদ্ধ ওষুধ নিয়ে হাজির শালিনী
এদিকে রুদ্রর সাথে কথা বলে তার ঠিক করা লোক অর্থাৎ জামাল ভাইয়ের ডেরায় পৌঁছে যায় শালিনী। সেখানে গিয়ে তার মনে হয় এই লোকগুলো বেশ ভয়ংকর কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। এরপর শালিনীকে জামাল ভাই ওষুধের প্যাকেটটা দেয়। শালিনী আরও কিছু জিজ্ঞাসা করতে গেলে জামাল ভাই বলে ওখানে তাদের লোক রয়েছে যার নাম ছোটেলাল সেই সব কাজ করে দেবে। শালিনী ছোটেলালের খোঁজ করার আগেই সে নিজেই তার কাছে এসে হাজির হয় এবং তার থেকে ওষুধটা সংগ্রহ করে।
আরও পড়ুন: আইপিএলের জেরে কাবু শ্যামলী-কথারা! তবুও টানটান রসায়নে কেল্লাফতে সৃজন-পর্ণা, এক নজরে দেখে নিন আজকের টিআরপি তালিকা
ধরা পড়ে গেলো ছোটেলাল
এরপর সেই ছোটেলাল বাথরুমে গিয়ে মেয়েদের পোশাক পরে ছদ্মবেশ ধরে নেয় যাতে তাকে সিসিটিভি ক্যামেরায় কেউ ধরতে না পারে। এরপর সে ফুলকির খাবারে ওষুধ মিশিয়ে দেয়। তারপরে ঘরে গিয়ে খাবারটা রাখতেই পেছন থেকে হামলা করে বাসন্তী ফুলকি আর জিয়া। এরপর তাকে মারধোর করে তার থেকে জানতে পারে ওই খাবারের মধ্যে নিষিদ্ধ ওষুধ মেশানো রয়েছে। এর আগেরবার রোহিত রায়চৌধুরীকেও এই ওষুধটাই দেওয়া হয়েছিল। সমস্ত তথ্য চলে আসে ফুলকির হাতে।
