এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে সেগুলির মধ্যে নিজেকে অন্যতম আকর্ষণীয় হিসেবে দর্শক মহলে প্রতিষ্ঠা করেছে ‘ফুলকি’ (Phulki)। শুরু থেকেই দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি। এখানে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দিব্যানী মণ্ডলকে। টিআরপি তালিকাতেও রাজ করছে এই ধারাবাহিক।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি তার ছন্দক দাদাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং তার পাশাপাশি চিংড়ি দিদি অর্থাৎ ঈশিতার মুখোশ সবার সামনে খুলে দিয়েছে। কিন্তু বেঁচে গিয়েছে রুদ্র। আর সেই হচ্ছে জয়িতা হত্যাকাণ্ডের প্রধান মাথা। এটা খুব ভালোভাবেই জানে ফুলকি। তাই রুদ্রকে ধরতে উঠে পড়ে লেগেছে ফুলকি। বর্তমানে এটাই তার একমাত্র লক্ষ।
রুদ্রও বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকিকে বেশ ভয় পাচ্ছে। যেভাবে সে ঈশিতাকে সবার সামনে ধরিয়ে দিয়েছে তাতে এই ভয় আরো দ্বিগুণ হয়ে গেছে। রুদ্র খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে ফুলকি যদি এই ভাবেই বাড়তে থাকে হলে একদিন রুদ্রর সমস্ত কারসাজি ধরা পড়ে যাবে। তাই সেও ভাবনা চিন্তা করছে যে ঠিক কি করলে ফুলকির মুখ বন্ধ করা যায়। আঘাত প্রাপ্ত বাঘের মতো ক্ষেপে উঠেছে সে।
অন্যদিকে রোহিতের মা অর্থাৎ অরুণার স্কুলে একটা খেলার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। আর সেখানেই বিচারক হিসেবে এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সেই স্কুলের প্রত্যেকে রোহিতকে খুব করে চাইছে। এতদিন পর এমন একটা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারায় রোহিতও ভীষণ খুশি হয়। তার মনে হয়, তার জীবনটা আবার আগের মতন হয়ে যাচ্ছে। তবে এত সুখ হয়তো এত তাড়াতাড়ি তার কপালে লেখা ছিল না। তাই অনুষ্ঠানের মাঝেই বেঁধে গেল গোলযোগ।
রোহিতকে সম্মান ফিরিয়ে দিলো ফুলকি
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, খেলাধুলা জগতের একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি রোহিতের অতীতটাকে বিশ্বাস করে তাকে অবছেদ্দা করে। সে বলে রোহিতের সঙ্গে একই মঞ্চে বসে এই খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না সে। কারণ রোহিত একজন প্রতারক। কথাগুলোতে খুব কষ্ট পায়ে রোহিতের মা অরুণা। এসব দেখে ফুলকি ওই ব্যক্তিকে বলে, “আপনি আজ একজন মাকে অসম্মানিত করেছেন আর এই অসম্মানের জবাব আপনাকে আমি দেবো।”
