Bangla Serial

রোহিতের সামনে ঈশিতার মুখোশ খুলে দিল ছন্দক! জানতে পেরে ফুলকিকে আটকাতে নতুন খেলা শুরু করল ঈশিতা!

বর্তমানে টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। একটা রহস্য উদঘাটন হতে না হতেই নতুন রহস্য ঘিরে ধরছে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকিকে। এইবার অনেক বড় একটা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছে সে। এই জট খুলতে পারলে অনেকের মুখোশ অনায়াসে খুলে দিতে পারবে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, হঠাৎ করেই ফুলকির কাছে এসে হাজির হয়েছে ছন্দক মজুমদারের কেস। তারা যখন গোটা বিষয়টা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া শুরু করে তখন জানতে পারে, ছন্দক মজুমদার একজন ভালো ছেলে। তার পক্ষে খুনের মতন এত জঘন্য একটা কাজ করা সম্ভব নয়। এরপর ফুলকি ঠিক করে তারা আবার ছন্দক মজুমদারের কাছে যাবে এবং তার থেকে সবটা শুনবে।

ফুলকিকে বিশ্বাস করল ছন্দক

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রথমবার যখন ফুলকিরা ছন্দকের কাছে গিয়েছিল তখন রুদ্ররূপ সান্যালের কথা ভেবে ছন্দক সবার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করে। কিন্তু ফুলকি যখন ছন্দকের জন্য নিজের হাতে হালুয়া বানিয়ে নিয়ে যায় তখন ছন্দক বুঝতে পারে তারা সত্যিই ছন্দকের ভালো চাইছে আর তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। তাই ফুলকিকে এবং বাকিদের বিশ্বাস করতে শুরু করে ছন্দক। এরপর এক এক করে তার সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত দুর্ঘটনাগুলো সবার সামনে প্রকাশ করে ছন্দক।

সমস্ত ঘটনা খুলে বলল ছন্দক

ছন্দক জানায়, “আমি দেখতে পাচ্ছিলাম কলেজের মধ্যে রাজনীতি চলছে। আর সেই রাজনীতি একেবারে একপেশে। আমি তাই এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। এর মাঝেই আমি আর জয়িতা লুকিয়ে বিয়ে করে ফেলি কিন্তু তারপর থেকেই ওর মাথায় কেউ এটা ঢুকিয়ে দেয় যে আমি ওকে ঠকাচ্ছি। তারপর আমাদের মধ্যে ভীষণ ঝামেলা শুরু হয় আর যেদিন প্রথমবার জেনারেল সেক্রেটারির পদের ভোট ছিল সেদিন আমি উত্তেজিত হয়ে গিয়ে একটা হাতুড়ি হাতে নিয়ে বলে ফেলি, ওকে মেরে ফেলবো। তারপর আমি সেখান থেকে বেরিয়ে যাই। যখন ফিরি তখন দেখতে পাই ও মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে।”

ছন্দকের নাম শুনে ভয় পেয়ে গেল ঈশিতা

সবটা জানার পর বাড়ি ফিরে আসে ফুলকি। সে বুঝতে পারে চিংড়ি দিদি ওই জেনারেল সেক্রেটারি হওয়ার জন্য রুদ্ররূপ সান্যাল এর সাথে হাত মিলিয়ে ছন্দক মজুমদারকে ফাঁসিয়েছে। কিন্তু কোন প্রমাণ ছাড়া এটা বাকিদের বিশ্বাস করানো রীতিমতো অসম্ভব। সে যখন ঈশিতাকে জিজ্ঞাসা করে সে ছন্দক মজুমদারকে চেনে কিনা ঈশিতা সরাসরি না বলে দেয়। এটা শুনে অবাক হয়ে যায় রোহিত। ঈশিতা বুঝতে পারে ওরা অনেক কিছুই জেনে ফেলেছে যেটা তার মুখোশ খুলে দিতে পারে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন