Bangla Serial

শ্যামলীর হাতের রান্না খেয়ে তাকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নিল মামনি! দোল খেলতে দত্ত বাড়িতে হাজির অনিকেত তিস্তা!

এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে একের পর এক ধামাকাদার ধারাবাহিক। এর মধ্যেই বেশ কিছু ধারাবাহিক কিছুদিন আগেই সম্প্রচার শুরু করেছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। সবার পর থেকেই টিআরপি তালিকায় নিজের একটা নজর কাড়া স্থান দখল করেছে এই মেগা। সম্প্রতি একটু একটু করে নায়িকাকে মেনে নিচ্ছে তার শাশুড়ি মা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়ক অনেকেত ছোটবেলা থেকেই সবজির প্রতি বেশ অনিহা দেখায়। সবজি তার মুখে রোচে না। শাকসবজি জিনিসটাকে সে একেবারেই পছন্দ করে না। নিজের মাও তাকে কখনো সবজি খাওয়াতে পারেনি। কিন্তু এই অসাধ্য কাজটা করে দেখালো দুই দিনের আসা শ্যামলী। অনিকেতকে একের পর এক সবজি খাইয়ে বাড়ির প্রত্যেককে অবাক করল সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেত প্রচন্ড রেগে গিয়েছে শ্যামলীর ওপর কারণ শ্যামলী তাকে বরবটি খাইয়ে দিয়েছে। সেই সমস্ত শাকসবজি পছন্দ করে না। এদিকে সে স্বীকার করে রান্নাটা এতটাই ভালো হয়েছিল যে সে বুঝতেই পারেনি ওটা বরবটি। শ্যামলীর হাতে জাদু আছে এটা মনে মনে মেনে নিয়েছে অপরাজিতা। এরপর শ্যামলী যখন সেখান থেকে হোটেলে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয় তখন ঠাম্মি তাকে আটকায় আর বলে একদিন আর তাকে এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে হবে না। এই বাড়ির রান্নাঘরে ঢোকার অনুমতি সে পাবেই পাবে।

এরপর ঠাম্মি অপরাজিতাকে নিজের কথার জালে জড়িয়ে শ্যামলীর রান্নাঘরে ঢোকার অনুমতিটা ঠিক আদায় করে নেয়। অপরাজিতা নিজে বলে দুপুরে খাবার পাতে জানো তিন রকমের সবজি থাকে। সেদিন শ্যামলী যে সমস্ত রান্না গুলো করেছিল সেগুলো একেবারে চেটেপুটে খায় অনেকেত। পরে সে জানতে পারে নিজের অজান্তেই সে পেঁপের শিম আর এঁচোড় খেয়ে নিয়েছে। সবাই শ্যামলী রান্নার প্রশংসা করে। কেনা বড়ি ব্যবহার করবে না বলে শ্যামলী নিজেই ছাদে গিয়ে বড়ি দেয়। ছেলের মঙ্গল হচ্ছে দেখে শ্যামলীর সমস্ত কিছুই মেনে নেয় অপরাজিতা।

আরো পড়ুন: আবার মিঠাইকে কপি করার অভিযোগ ফুলকির দিকে! ফুলকি রোহিতের রোমান্টিক দৃশ্য দেখেও মিঠাইতে মজে দর্শক!

এরপর অনিকেত ঠিক করে তিস্তার ফোনটা আর দরকারি জিনিসগুলো সে তিস্তাকে দিয়ে আসবে। বিষয়টা জানতে পেরে যায় ঠাম্মি। যাতে কোন গন্ডগোল না হয় তাই আগের থেকেই শ্যামলীকে সবটা জানিয়ে দেয়। অনেকেতের বেরোনোর আগেই শ্যামলী তিস্তা সেজে চলে আসে সেখানে। যখনই সে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো নিতে যায় তখন অপরাজিতা তাকে বলে, পর্ণার বাড়ি থেকে দোল উৎসবের জন্য নেমন্তন্ন করেছে ওখানে অনেক বড় করে দোল খেলা হয়। সেখানে যদি তিস্তা আর অনিকেত একসঙ্গে যায় তাহলে সে খুব খুশি হবে। এটা শুনে তিস্তা জানায় সে অবশ্যই যাবে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন