জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে বর্তমানে চলছে ধুন্দুমার পর্ব। একদিকে বর্ষা আর অন্যদিকে শশুর মশাই, কাকে বাঁচাবে ধারাবাহিকের নায়িকা? বিগত দুই সপ্তাহ ধরে বেঙ্গল টপার এর জায়গা দখল করেছিল এই মেগা। কিন্তু চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় প্রথম থেকে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে নিম ফুলের মধু।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন অনেক চেষ্টা করেছিল বর্ষার বিয়েটা আটকানোর। কিন্তু বর্ষা নিজেই এই বিয়েতে সম্মতি জানায়। কারণ সে যখন পিকলুকে বলতে যায় তার ভালোবাসার কথা পিকলু তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে এতদিন ধরে বর্ষাকে শুধুমাত্র বন্ধু হিসেবেই দেখে এসেছে তাই তার পক্ষে এই ভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এটা শুনে মনের সমস্ত আশা ভেঙে যায় বর্ষার।
এরপর পাত্রপক্ষ দেখতে আসে বর্ষাকে আর এক দেখাতেই তাকে ভীষণ পছন্দ হয়ে যায়। তারা তিন দিনের মধ্যে বিয়ে ঠিক করার কথা বলে। প্রত্যেকে এই বিষয়টা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল কিন্তু কৃষ্ণা জানায় যে তার কোন সমস্যা নেই। পর্ণা এই গোটা বিষয়ে বেশ বিরক্ত হয়। পাত্রের মা জানায় ছেলে বিয়ের পর মেক্সিকো চলে যাবে কিন্তু বর্ষা এখানেই থাকবে তার নিজের বাড়িতে। এটা আরও অদ্ভুত লাগে নায়িকার।
এরপর শুরু হয় বর্ষার গায়ে হলুদ। পিকলু এভাবে নিজের চোখের সামনে নিজের ভালোবাসার মানুষকে অন্য কারো সাথে বিয়ে করতে দেখতে পারছিল না কিন্তু তারপরেও নিজের দিদির মুখের দিকে চেয়ে সবটা সহ্য করে নিচ্ছিল। নানা রকম কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখে সে। যদিও তারপরেও পিকলুর চোখের জল নজর অ্যারাইনি তাই দিদি পর্ণার।
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সৃজনের বাবাকে একবার ব্যাংকে ডাকে ম্যানেজার। গায়ে হলুদ ছেড়ে ওই মুহূর্তে অফিসে চলে যায় সৃজনের বাবা। সেখানে ম্যানেজারের ঘরে ঢুকতেই তার মাথায় বন্দুক ধরে রাঘব। ম্যানেজার ল্যাপটপটা খুলে এগিয়ে দেয় সৃজনের বাবার দিকে আর পাসওয়ার্ডটা লিখে দিতে বলে। ভয় পেয়ে যখনই সৃজনের বাবা পাসওয়ার্ডটা দেওয়ার জন্য হাতটা বাড়ায় তখনই তার হাতটা এসে ধরে পর্ণা। আর বলে সে যেন কোনমতেই এই কাজটা না করে। পর্ণার এমন সাহস দেখে হক হকচকিয়ে যায় ওই ঘরে থাকা প্রত্যেকের।
