শেষ পর্যন্ত কি সুখে থাকতে পারবে জি বাংলার (Zee Bangla) ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা! এটাই বর্তমানে সব থেকে বড় প্রশ্ন চিহ্ন। ধারাবাহিক যেদিন থেকে শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই দর্শকরা দেখেছেন নায়ক নায়িকার মাঝে বারবার কোননা কোন ভাবে চলে এসেছে ময়ূরী। এক মুহূর্তের জন্যও শান্তি পেতে দেয়নি তাদের। এখনো ময়ূরীর জন্য কষ্ট হচ্ছে নীল মেঘের নতুন জীবন।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সবে সাত পাকে বাঁধা পড়েছে নীল এবং মেঘ। এর মাঝেই ময়ূরীর কাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে তাদের গোটা পরিবার। ইতিমধ্যেই মেঘকে একবার হাসপাতালে যেতে হয়েছে। আগাম রক্ত দিয়ে আসতে হয়েছে যাতে তাকে আবার করে ময়ূরী ডেকে না পাঠাতে পারে। ফলে মেঘের শরীরে এক ভীষণ ক্লান্তির ছাপ ফুটে উঠেছে। সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকলেও তার শারীরিক কষ্ট কমেনি। আর সেখান থেকেই ঘটে গেল এক অনেক বড় দুর্ঘটনা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেঘ জিষ্ণুর গুরুজি জয়ন্ত বোস চলে আসেন বৌভাতের অনুষ্ঠানে। সেখানে এসে গিনির সাথে আলাপ হয় তার। গুরুজী মজা করে বলেন, “তাহলে তুমিই সেই মেয়ে যে আমার শিষ্যের ব্রহ্মচর্য ভঙ্গ করলে?” তখন গিনি গুরুজীকে বলে, “আমি কিছু করিনি আসলে আপনার শিষ্য ভন্ড ব্রহ্মচারী। ওর যদি ইচ্ছা থাকতো তাহলে আমি কি ভাঙতে পারতাম কিছু?” এই নিয়ে হাসি ঠাট্টায় মেতে ওঠে গোটা পরিবার।
এরপর একসঙ্গে গান করার প্রসঙ্গ উঠলে নীল খুব খুশি হয়ে যায় কারণ সে সবসময় মেঘের সাথে গান করতে চাইতো। এরপর সবাই মিলে একসঙ্গে গান শুরু করে। তাদের একসাথে এত আনন্দ করে গান গাইতে দেখে খুব শান্তি পায় তাদের পরিবার। মধুমিতা বলেন ছোট মেয়েটার জীবনে যেন এরপর আর কোন ঝরনা নেমে আসে। মেঘ যেন ভালো থাকো সুখী হয়। এমন সময় মাথা ঘুরে পড়ে যায় মেঘ। আর সেটা দেখে অস্থির হয়ে ওঠে নীল। সঙ্গে সঙ্গে মেঘকে নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দেয় সে। ডাক্তার ডাকে তারা।
আরো পড়ুন: অবশেষে লালকে ফাঁদে ফেলে গাঙ্গুলী পরিবারে ঢুকে মেঘের ক্ষতি করল ময়ূরী! ধারাবাহিকে নতুন মোড়
মেঘের এমন অবস্থা দেখে নীল খুব ভেঙে পড়ে। মীনাক্ষী তাকে বলে, মেঘ সুস্থ হলেই ওকে নিয়ে দূরে কোথাও চলে যেতে। কারণ এখানে থাকলে ময়ূরীর এবং কালো ছায়া থেকে মুক্তি পাবে না তারা। নীল বলে সেও এটাই ভেবে রেখেছে। এরপর মেঘের কি হয়েছে সেটা জানার জন্য তার রক্ত নিতে আসে হাসপাতাল থেকে এবং রক্ত নিয়ে যাওয়ার পর মেঘের পাশে এসে বসে নীল। মেঘ কিছু বলতে চাইলে নীল তাকে একটাও কথা বলতে বারণ করে। এরপর মেঘের হাত ধরে কেঁদে ফেলে নীল। নীলের কাছে ক্ষমা চায় মেঘ। সে বলে, তাদের আজ যাওয়ার কথা ছিল আর আজকেই তার জন্য সবটা আটকে গেল। নীল মেঘকে বলে তাকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হতেই হবে।
