প্রত্যেকবার জিততে জিততে এইবারটা হেরে গেল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। নিজের বুদ্ধির জোরে এতদিন নিজেকে এবং নিজের পরিবারের প্রত্যেকের সাহায্য করে এসেছে সে। কখনো কাউকে কোন রকম বিপদে বেশিদিন কষ্ট পেতে দেয়নি পর্ণা। নিজের অফিস এবং বাড়ির দুটোই সুন্দরভাবে সামলেছে সে। তার এই সুন্দর চরিত্র ধারাবাহিককে এনে দিয়েছে বিরাট সাফল্য।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা এই মুহূর্তে নিজের পরিবারের তিন সদস্যকে বাঁচানোর জন্য যতদূর যেতে হয় তত দূর যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে নিজের কাছে। তার ভাসুর অর্থাৎ অয়ন মৌমিতা এবং বোনের মতন ননদ বর্ষা, তিনজনেই এখন এক ভয়ঙ্কর মাফিয়ার কবলে। তাদের সাথে যখন খুশি যা খুশি হয়ে যেতে পারে। তাই এক মুহূর্তের জন্যও শান্তিতে বসতে পারছে না পর্ণা।
শুরু থেকে অনেক চেষ্টা করেছে সে। বুদ্ধি খাটিয়ে একটার পর একটা ক্লু নিজেই বের করেছে এবং পুলিশদেরকেও সাহায্য করেছে। তার সাহায্য ছাড়া হয়তো পুলিশরা এত তাড়াতাড়ি এতটা এগোতে পারত না। নিজেই সেই কথা স্বীকার করেছে তারা। বুদ্ধি করে বগাকে ধরা, সেখান থেকেই দিননাথের খোঁজ পাওয়া, সেখান থেকে শরবতের দোকানে যাওয়া, সেই দোকানে রাখা কাচের বোতল থেকে সিন্দুকের চাবি উদ্ধার করে সেখান থেকে বিনায়ক সিং এর খোঁজ পাওয়া সবটাই হয়েছে পর্ণার বুদ্ধির জোরে।
পুলিশের কাছ থেকে সবাই জানতে পেরেছে এই বিনায়ক সিন একজন ভয়ংকর মাফিয়া। থাকে বিহারে। সেখানেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এই রাস্তার ভিখারীদের। এখান থেকেই তাদের অবস্থা আরো খারাপ করে তাদেরকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া হবে। এটা জানতে পেরে তাড়াতাড়ি সেখানেই ছুটে যায় পর্ণা। সেখানে গিয়ে প্রত্যেকের যা দেখে তাতে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না তারা।
আরো পড়ুন: শেষ পর্বে মা হবে মেঘ! তার সন্তান হিসেবে ধারাবাহিকে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে!
ধারাবাহিকের আগামী পর্ব গুলিতে দেখা যাবে, বর্ষার দুটো চোখ উপরে নিয়েছে বিনায়কের লোকেরা। যাতে আরো বেশি করে ভিক্ষা পাওয়া যায় তাই আরো বেশি করে গোবেচারা অসহায় বানিয়ে বর্ষাকে রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছে তারা। রাস্তায় বসে কাঁদতে থাকে বর্ষা, আর সেটা দেখতে পেয়ে যায় পর্ণা। দেখে সে আতকে ওঠে। তাড়াতাড়ি চলে যায় বর্ষার কাছে। নিজেকে চরম অপরাধী মনে হতে থাকে তার। যদি সত্যিই ধারাবাহিকের আগামীর পর্বে এমন কিছুই ঘটে তাহলে কেমন লাগবে দর্শকদের?
