জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phooler Madhu)। উত্তর কলকাতার একান্নবর্তী বনেদী পরিবারের ছেলে সৃজন। আর দক্ষিণ কলকাতার ছোট্ট নিউক্লিয়ার পরিবারে বেড়ে ওঠা মেয়ে পর্ণা। দুজন ভিন্ন চিন্তাধর্মী মানুষের প্রেমে পড়া এবং একসঙ্গে থেকে যাওয়ার লড়াইয়ের গল্প দেখানো হয়েছে ধারাবাহিকে।
টিআরপি তালিকায় বরাবর ভাল ফল করে এসেছে এই ধারাবাহিক। এই মুহূর্তে, সেই তালিকার প্রথম পাঁচে ধরা বাঁধা স্থান শ্রীপর্ণার প্রেম কাহিনী। নায়ক-নায়িকাকে একসঙ্গে ভক্তমহল ‘শ্রীপর্ণা’ নামেই চেনে। এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের গল্পে সৃজন আর পর্ণার মাঝে এসেছে তৃতীয় ব্যক্তি। ঈশা।
সৃজনের মা, ভাই আর ভাইয়ের বউ ঈশাকে খুব পছন্দ করে। পর্ণা জায়গায় ঈশা হলে আর বোধহয় তাঁদের খুশির ইয়ত্তা থাকে না। তবে সৃজন বরাবর ভালোবেসে এসেছে পর্ণাকে। হাজার ভুল বোঝাবুঝির পরও একসঙ্গে থাকার পথ খুঁজে বের করেছে সে। তবে বাড়ির লোকের আশকারা পেয়ে সৃজন পর্ণার বিয়ে ভাঙতে তৎপর ঈশা।
কখনও পর্ণা সৃজনের শখের ব্যবসা ‘শাড়ি কথা’-এ আগুন। কখনও বা দত্তবাড়ি ভাঙতে উদ্যত হয়েছে ঈশা। এসব কিছু যখন কাজে আসেনি। তখন সৃজনের মনে পর্ণার বিরুদ্ধে সন্দেহ ঢুকিয়েছে। আবার কখনও সৃজনকে চোর বদনাম দিয়েছে। তবে ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে, নিজের দোষ স্বীকার করে জেল খাটছে সে। সৃজন-পর্ণা সুখী গৃহকোণের কাঁটাকে সরতে দেখে খুশি দর্শক মহল। তবে ফের নতুন চমক ধারাবাহিকে।
সাম্প্রতিক পর্বে দেখা মিলবে দত্তবাড়ির সামনে মজার দৃশ্য। মাটিতে বসে আছে অয়ন। আর তাকে রথের মতো টেনে টেনে গিয়ে চলেছে তার বউ মৌমিতা। এভাবে দত্তবাড়ির সামনে এসে হাজির হয় তারা। অয়ন গান করতে থাকে ‘স্বাদের লাউ, বানাইলো মোরে বৈরাগী…’। এই দৃশ্য দেখে অবাক বনে যায় পর্ণা ও তার শাশুড়ি কৃষ্ণা। পর্ণা আর কৃষ্ণাকে দেখে ভিক্ষা চায় অয়ন। এই দৃশ্য দেখে অবাক সকলে। মৌমিতা আর অয়নের এই দশা কেন! তারা ভিক্ষা করছে কেন।
