জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Icche Putul) ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে মেঘ ও নীলের মধ্যে দুরত্ব ক্রমশ কমছে। নীল দিল্লি যাওয়ার পর থেকেই মেঘের মনে উচাটন। আবার নীলও একা শহরে মেঘকে রেখে যেতে চায়নি। এদিকে, দিল্লি গিয়ে নীল জানতে পারে মেঘ শ্রেষ্ঠ শিল্পী রূপে নির্বাচিত হয়েছে। মেঘের সাফল্যে মন থেকে খুশি হয় নীল। অভিমানের বরফ গলিয়ে মেঘকে ফোন করে সে। মেঘ যেন নীলের ফোনের অপেক্ষাতেই ছিল। নীলের ফোন ধরলে অভিমান ঝরে পড়ে মেঘের কন্ঠস্বরে।
মেঘ নীলের থেকে দূরে থাকলেও মন থেকে ঠিকই ভালোবাসে নীলকেই। নতুন কোনো পুরুষকে তাই মনে জায়গা দিতে চায়না মেঘ। বাবা-মায়ের কথায় তাই নতুন করে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চায়না সে।
সবার মনেই সন্দেহ জাগছে। কেন বিয়েতে রাজি হচ্ছে না মেঘ? তাহলে কি এখনও তাঁর মন জুড়ে শুধুই নীল?
এদিকে গিনি ও জিষ্নুর মধ্যে বন্ধুত্ব পাকা হচ্ছে। এই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে গড়াচ্ছে প্রেমের দিকে। বেশ বোঝা যাচ্ছে, মেঘনীলের বিয়ে হলেই শুভ পরিণয় হবে গিনি-জিষ্নুর। আবার, হাত গুটিয়ে বসে নেই ময়ূরীও। মেঘকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয় সে। মেঘ হাসিমুখে বলে, এতে কি কোনো অশান্তি কমবে? বদলে বিয়ে নাকচ করবে বলেই ঠিক করে মেঘ।
নীলের ঠাম্মি প্ল্যান করছে ফের মেঘ নীলের চার হাত এক করতে। তবে মেঘ বা নীলের কাউকেই জানাতে চায় না ঠাম্মি। দুজনেই দুজনকে বিচ্ছেদের পরেও ভালোবাসে। কিন্তু মুখে ‘রা’ শব্দ করবে না। কারণ একটাই, প্রবল আত্মসম্মান। তাই তারা একে অপরের সঙ্গে থাকতে চায় তা কোনোমতেই জাহির করবে না নিজ মুখে।
ঠাম্মি এই প্ল্যানে সামিল করছে অনিন্দ্য আর মধুমিতাকেও। তিনি চান অন্তত বাড়ির বড়োরা যেন তাদের বিয়ের বিষয়ে অবগত থাকুক। তবে ঠাম্মির প্ল্যান শুনে খানিক অমত পোষণ করেন মেঘের বাবা-মা। মেয়েকে না জানিয়ে এভাবে তার সঙ্গে প্রাক্তন স্বামীর বিয়ে ঠিক করাটা কতটা স্বাভাবিক এই নিয়ে চলতে থাকে টানাপোড়েন। অনিন্দ্য ভাবে এমনটা করলে মেঘে তাদের উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাবে। আর কোথাও যাওয়ার কূল থাকবে না মেয়েটার। আর তাদের মেয়ে যা জেদি! হয়তো বেঁকে বসবে।
