Bangla Serial

দত্তবাড়ি উদ্ধারের পরই পর্ণা নয়নের মণি! পর্ণাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করছে সৃজন! অনুভবকে নিয়ে সমস্ত তিক্ততা মুছে গেল তাঁর

জি বাংলার নিম ফুলের মধু (Neem Phooler Madhu) ধারাবাহিকে দেখা যায় বিয়ের পর থেকেই পান থেকে চুন খসলে সৃজনের চোখে অবিশ্বাসের পাত্র হয়ে ওঠে পর্ণা। সে প্রাণ দিয়ে সৃজন ও তাঁর পরিবারকে আগলে রাখলেও সামান্য ভুল ত্রুটিতে আলোকপর্ণার দিকে আঙুল তুলতে ছাড়ে না কেউই। এদিকে আলোকপর্ণার জীবনেও রয়েছে ‘ঈশা’ ত্রাস। ঈশার চক্রান্তে বহু বার নাকাল হতে হয়েছে পর্ণাকে। কিন্তু এসবের মধ্যেও পর্ণা চেয়েছে সৃজন তাঁর পাশে থাকুক। কিন্তু সৃজন তাঁকে ভুল বুঝলে তখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় পর্ণার।

এমনিতেই সৃজনের মা কৃষ্ণার চক্ষুশূল পর্ণা। কারণ তাঁর মতে পর্ণাই তাঁর বাবুকে মায়ের থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। তাই সৃজন পর্ণার সম্পর্কে বারংবার কাঁটা হয়েছেন তিনি। সৃজনদের একান্নবর্তি পরিবারের অনেকেই পর্ণাকে হেয় করে। আবার অনেকের চোখের মণি ও বাড়ির যোগ্য বউ আলোকপর্ণা।

ঈশার চক্রান্তে পরপর যুদ্ধ চলছে পর্ণার জীবনে। কখনও রুচিরাকে অপহরণ তো কখনও ফটোশপ করে পর্ণার ছবি বিকৃত করা ঈশার কূট বুদ্ধির তো অন্ত নেই। শুধু পর্ণাকে নাকাল করেই থামেনি সে। সৃজনের বিরুদ্ধেও চুরির অপবাদ এনেছে। পর্ণা সৃজনের সংসার ভাঙতে সবদিক থেকে প্রস্তুতি নিয়েছে ঈশা। যদিও, একটি বারেও সে জিততে পারেনি। ঈশার সবকটা ষড়যন্ত্র দায়িত্ব নিয়ে খতম করেছে পর্ণা।

সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখা যায় দত্ত বাড়ি বাঁচানো নিয়ে মহা ধুন্ধুমার পর্ব। ঈশার সাথে যুক্ত হয়ে বাজুরিয়া ট্রাকটর হাজির হয় দত্ত বাড়ির সামনে। টাকা দিতে না পারলে গুঁড়িয়ে দেবে দত্ত বাড়ি। কিন্তু সেই ট্রাকটরের সামনে দাঁড়িয়েই জোর গলায় পর্ণা বলে, সে থাকতে এই দত্তবাড়ির কোনো ক্ষতি সে হতে দেবে না। এই বাড়ির একটি ইটও খসতে দেবে না সে। আর কথামতোই কাজ করে পর্ণা। শেষ মুহুর্তে অনুভবের থেকে টাকা জোগাড় করে দত্ত বাড়িকে রক্ষা করে সে।

এদিকে অনুভবকে নিয়েও সৃজনের মনে ছিল বেশ তিক্ততা। তাঁর মনে হয়েছিল, পর্ণা ও অনুভবের মধ্যে কোনো অন্য সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু অনুভবের থেকে সাহায্য পাওয়ার পর ও দত্তবাড়ি বেঁচে যাওয়ার পর সেই তিক্ততা মুছে গিয়েছে। এমনকি পর্ণাকেও ফের ভালোবাসছে সৃজন। ধারাবাহিকের পর্বে দেখা যায়, সৃজনের পর্ণাকে বলছে সে ভুল বুঝেছিল। অনুভব সত্যিই পর্ণার ভালো বন্ধু আর কিছু নয়। এসব দেখে দর্শকদের বক্তব্য, এখন তো নয় ভালো বলছে সৃজন। কিন্তু পরমুহূর্তে পাল্টা না খেলেই হয়।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন