Bangla Serial

পা’ষ’ণ্ড হলেও ক্ষতি নেই! চাই সরকারি চাকুরে! ‘পরাগের সরকারি চাকরি! একবার ঝুলে গেলে নিশ্চিন্ত!’ সত্যি কথা বলে দিল প্রিয়াঙ্কা

বাংলা টেলিভিশনের দুনিয়ায় এখন রাজত্ব করা ধারাবাহিকের নাম কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache Koi Moner Kotha) । দর্শকরা মন প্রাণ ঢেলে এখন এই ধারাবাহিকটি দেখছেন। আসলে বাস্তব থেকে গল্প তুলে এই ধারাবাহিকের গল্প বলা হচ্ছে। আর সেই কারণেই ধারাবাহিকটির এতটা জনপ্রিয়তা।

বাস্তব সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। যে কথাগুলো এই ধারাবাহিকে ডায়লগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা বাস্তবধর্মী। আবার একই রকম ভাবে এই ধারাবাহিকে তুলে ধরা বিভিন্ন ঘটনাও বাস্তব থেকেই উঠে এসেছে। এমনকি এমন কিছু কিছু চরিত্রকে তুলে ধরা হয়েছে যে চরিত্রগুলি আমাদের সমাজে রয়েছে।

পরাগ, পলাশ, মধুবালা এই প্রত্যেকটি চরিত্র সমাজ থেকেই আহরণ করা হয়েছে। দর্শকরা এই সমস্ত চরিত্রের সঙ্গে নিজেদের বাস্তব জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন। যে কারণে এই জনপ্রিয়তা। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকে একটি নতুন চরিত্রের আবির্ভাব হয়েছে। প্রিয়াঙ্কা। পরাগের কাছে অঙ্ক শিখতে এসেছে সে। যদিও পড়াশোনা চুলোয় দিয়ে পরাগ আর প্রিয়াঙ্কার মধ্যে এখন শুরু হয়েছে প্রেম চর্চা।

প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে পরাগ। দীর্ঘদিন চেষ্টার পরেও প্রিয়াঙ্কার বিয়ে হচ্ছে না। প্রিয়াঙ্কার বাবা উঠে পড়ে লেগেছে মেয়ের বিয়ের জন্য। কিন্তু পাত্র আর জোটে না। আর তাই প্রতীক্ষা প্রিয়াঙ্কাকে পরাগদের বাড়িতে পাঠিয়েছে। শিমুল আর পরাগের খারাপ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে যাতে প্রিয়াঙ্কা শিমুলকে দূরে করে পরাগের মনে জায়গা করে নিতে পারে। আর সেটাই করছে প্রিয়াঙ্কা।

রেস্তোরাঁতে শিমুল আর শতদ্রুকে কফি খেতে দেখে সেই মুহূর্ত এর ক্যামেরাবন্দী করে প্রিয়াঙ্কা। যাতে সেই ছবি সে পরাগকে দেখিয়ে শিমুলকে নিয়ে তার মনে আরও বিষ ঢালতে পারে। প্রিয়াঙ্কা তার বন্ধুদের বলে, বাবা অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছে আমার বিয়ের জন্য কিন্তু হচ্ছে না। পরাগ সরকারি চাকরি করে একবার গলায় ঝুলে যেতে পারলে নিশ্চিন্ত! সেই সকাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত বাজারে পাত্রের বিচারে সরকারি চাকুরিজীবীরা কয়েক গোলে হারাতে পারেন বেসরকারি চাকুরিজীবীদের। আজও পাত্র হিসেবে তাদের দর বেশি। আর তাই চরিত্র যাই হোক না কেন মেয়ের বিয়ে দিলে সরকারি চাকুরীজীবীর সঙ্গে দেবো। আজও এমনটাই ধারণা করেন বহু মানুষ। আর প্রিয়াঙ্কার চরিত্রের মধ্যে দিয়ে সেই গল্পই তুলে ধরা হচ্ছে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন