একটা সময় তার অভিনয় দেখার জন্য হলের সামনে লাইন পড়তো। টিকিট বিক্রি হতো ব্ল্যাকে। নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর (Anjan Choudhury) সিনেমা দেখার জন্য একটা আলাদাই উত্তেজনা অনুভব করতেন বাঙালি দর্শক। ভেঙে পড়া বাংলা সিনেমাকে নতুন দিগন্ত দেখিয়েছিলেন তিনি। তার সিনেমা একেবারে বাস্তব থেকে উঠে এসেছিল।
আর বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আরও এক পরিচালকের সিনেমা একেবারে বাস্তব থেকে উঠে এসেছে তিনি পরিচালক অভিজিৎ সেন। টনিক, প্রজাপতি, এখন প্রধান একের পর এক বাস্তব ধর্মী গল্পে বাঙালি দর্শককে বুঁদ করেছেন তিনি।
একবারে সম্পূর্ণভাবে পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একেবারে নতুন ছবি প্রধান-এ (Pradhan) নিয়ে হাজির সুপারস্টার দেব (Dev)। বহু চর্চা, বিতর্কের পর অবশেষে গত ২২শে ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে দেবের এই ছবি। এখানে একেবারে ‘সিংঘম’ স্টাইলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে নীতির পাঠ পড়িয়েছেন পুলিশ অফিসার ‘দীপক প্রধান’। অভিনেতা দেব নিজে সাংসদ হয়ে সমাজের নোংরা, কলুষিত, কদর্য দিকটা তুলে ধরেছেন যার জন্য প্রশংসা তার প্রাপ্য।
উত্তরবঙ্গের এক কাল্পনিক গ্রাম ধর্মপুর। আর সেই ধর্মপুরেই চলছে অধর্মের রাজত্ব। পঞ্চায়েত প্রধানের কারসাজিতে ধর্মপুর জুড়ে অরাজকতা। আর সেই ধর্মপুরেই সদ্য বিয়ে করে বউকে নিয়ে আসেন থানার বড়বাবু ‘দীপক প্রধান’ দেব। আর এরপর ধর্মপুরেই ধর্মের বীজ বপন করার চেষ্টা করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বড় অফিসার হয়েও নিজের বাড়ির লোকের কাছে ভিজে বেড়াল জ্যাস সান্যাল! কাউকেই শাস্তি দেয়না! কটাক্ষ নেটিজেনদের
ভোট ঘিরে নোংরামি, অরাজকতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। ‘প্রধান’-এ বেশ জমে উঠেছিল দুই ‘প্রধান’-এর লড়াই। একজন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আর একজন সৎ পুলিশ অফিসার দীপক প্রধান। আর সেটাই এই ছবির আসল বিনোদন। এই ছবি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একজন সৎ পুলিশ আধিকারিকের লড়াই-এর বাস্তবিক গল্প নজর কেড়েছে দর্শকদের। এই ছবির পরিচালক অভিজিৎ সেন। তার পরিচালনা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে অঞ্জন চৌধুরীর।
