নিজের জীবনের সব থেকে প্রিয় মানুষ রোহিত অর্থাৎ স্যারের উপকার করতে গিয়ে তাকে কলঙ্কমুক্ত করতে গিয়ে এবার নিজেই অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যেতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। বর্তমানে জমজমাট হয়ে উঠেছে ফুলকি ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। একদিনও টেলিভিশনের পর্দা থেকে নজর সারাতে পারছেন না দর্শকমহল।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি এই মুহূর্তে অনেক বড় একটা জায়গায় খেলার সুযোগ পেয়েছে। তাই সে সদলবলে চলে এসেছে দিল্লিতে। প্রথমদিকে রোহিত দিল্লিতে আসতে চায়নি। কিন্তু পরে সে ফুলকির মুখের দিকে তাকিয়ে রাজি হয়ে যায়। এখানে শালিনী কিছুতেই রোহিত আর ফুলকিকে একা ছাড়তে ভরসা পায়নি। তাই সেও তাদের পিছু পিছু একই জায়গায় একই হোটেলে এসে উপস্থিত হয়।
দিল্লিতে এসে বেশ সুন্দর একটা সময় কাটাতে থাকে ফুলকি আর রোহিত। ফুলকিকে কাঁচের চুড়ি কিনে দেয় রোহিত। শুধু তাই নয় রোহিত ফুলকির জন্য একটা জামা আর কানের দুলও কিনে দেয়। ঠিক যেই যে জিনিসগুলো ফুলকি হাত দিয়েছিল এবং পছন্দ করেছিল সেই সবই ফুলকির কাছে এনে দেয় সে। আর এটা দেখে খুব খুশি হয়ে যায় ফুলকি।
কিন্তু এসব কিছু একেবারেই সহ্য করতে পারে না শালিনী। সে কখনোই রোহিতকে সুখী দেখতে চায় না। তার সামনে রোহিত অন্য কারোর সাথে ভালো আছে বা তার জন্য কিছু করছে এটা দেখেই তার গায়ে ফোসকা পড়ে। সে আর সময় নষ্ট না করে রুদ্রর কথা মতন সেই জামাল ভাইয়ের খোঁজ করতে থাকে যে ওষুধ বিক্রি করে। তার কথোপকথন শুনে মনে হয় এই ব্যক্তি রোহিতের বেলাতেও তাকে ফাঁসাতে যথেষ্ট সাহায্য করেছিল।
ফুলকির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করলো শালিনী
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রোহিত বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। সে ফুলকির সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের জল আটকে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলে। সে ফুলকিকে বলে, এই শহর তার কাছ থেকে সব কিছু কেড়ে নিয়েছে। এসব শুনে ফুলকি বলে, “এই ফুলকি দাস আপনাকে কথা দিচ্ছে, আপনার যা যা হারিয়েছে সেই সব হারানো সম্মান আমি আপনাকে ফিরিয়ে দেবো।” দূর থেকে এসব দেখতে থাকে শালিনী। সে মনে মনে বলে, তার অনেক আগেই ফুলকি নিজে অন্ধকারে ডুবে যাবে।
