প্রায় এক বছর হতে চললো জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে ‘ফুলকি’ (Phulki)। শুরু থেকেই বাজিমাত করেছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা। আজ পর্যন্ত কখনো টিআরপি তালিকায় খারাপ ফলাফল করতে দেখা যায়নি এই ধারাবাহিকটিকে। শুরু হওয়ার প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যেই টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে ফুলকি।
যবে থেকে রোহিতের সাথে ফুলকি সাতপাকে বাঁধা পড়েছে তবে থেকেই নায়িকার জীবনের সবথেকে বড় অভিসন্ধি হয়ে উঠেছে তার স্যারকে নির্দোষ প্রমাণ করা। রোহিত যে মিথ্যে কলঙ্কের বোঝা বয়ে বেড়াতে বেড়াতে ক্লান্ত আর নাজেহাল হয়ে পড়েছে সেটা বুঝতে পেরে ফুলকি সব সময় চেষ্টা করেছে সেই বোঝা থেকে তাকে চিরকালের মতন মুক্তি দেওয়ার। অবশেষে সফল হলো ফুলকি।
দিল্লিতে এসেই ফুলকির নজর ছিল সেই লোকগুলোকে ধরা যে কিছু বছর আগে রোহিতের জীবনটাকে নষ্ট করে দিয়েছিল। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের স্যারকে সবার সামনে এই গোটা পৃথিবীর কাছে নির্দোষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি। ফল স্বরূপ ফুলকি আর রোহিতের মাঝে বন্ধনটাও আরও দৃঢ় হয়েছে।
রাজাবাবুকে খুঁজতে উদ্যত ফুলকি
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের সমস্ত হারিয়ে যাওয়া মান-সম্মান ফিরে পেয়েছে রোহিত। সারা দেশ জানছে রোহিত নিষ্কলঙ্ক। এতকিছুর মাঝে রুদ্র ধরা না পড়লেও খুব বাজেভাবে ছড়িয়ে গেছে রাজা বাবুর নাম। এইবার আর খুব বেশি দিন যে রাজাবাবু লোক চক্ষুর আড়ালে থাকতে পারবে না সে কথা বলাই বাহুল্য।
আরো পড়ুন: ফুলকির পাঞ্চে কাত পর্ণা! জমজমাট ফুলকি টিআরপি টপার, ২য় স্থানে চমক, জি না জলসা? কার ধারাবাহিক করল বাজিমাত?
ফুলকি পুলিশকে বলে, রাজাবাবু নামটা এর আগেও অনেকবার উঠেছে। এই রাজাবাবু তাকে মারতেও চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার কারণ জানা যায়নি। এই রাজাবাবুকে খুঁজে পাওয়া যাবে তাদের এলাকাতেই। এখানে যখন রাজাবাবুর ব্যাপারে কেউ কিছু জানে না তারমানে রাজাবাবু এখানকার লোক নয়। ফুলকি অনেকটাই সাহায্য করে দেয় পুলিশকে। এদিকে প্রচন্ড বিপাকে পড়ে যায় রুদ্র। কারণ এমন চলতে থাকলে রাজাবাবুর নাম নিয়ে এতদিনকার চালানো তার সমস্ত ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
