Entertainment

হৈমন্তীর আক্রোশ থেকে ফুলকিকে উদ্ধার করলো রোহিত! সবার সামনে আসল সত্যিটা প্রমাণ করার প্রতিজ্ঞা করলো সে!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘ফুলকি’ (Phulki)। শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে একটা আলাদাই উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা। এক বছর সফলভাবে কাটিয়ে ফেলেছে এই মেগা। টিআরপি তালিকায় প্রথম থেকেই প্রথম সারিতেই অবস্থান করছিল এই ধারাবাহিক। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রথম স্থানে অবস্থান করছে ফুলকি।

সব সময় নিজের স্যারের অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক রোহিতের মঙ্গল চেয়ে এসেছে নায়িকা ফুলকি। রোহিতের সমস্ত বিপদে আপদে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সে। শুরু থেকেই নিজের স্যারকে ভীষণ ভালোবাসে ফুলকি। স্যারের জন্য সে তার জীবনটাও দিয়ে দিতে পারে। যার প্রমাণ ইতিমধ্যেই পেয়েছে গোটা রায় চৌধুরী পরিবার সহ দর্শক মহল। ফুলকির সাহসিকতা দেখে রীতিমতো অবাক হওয়ার যোগার পুলিশের।

তার প্রতি বিশ্বাস থেকেই ফুলকির কথামতো রুদ্ররূপ সান্যালকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পুলিশ। তারা এমন কিছু প্রমাণ পেয়েছিল যেটা সত্যি ই প্রমাণিত হলে আসল দোষী হিসেবে রুদ্ররূপকেই চিহ্নিত করা যেত। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনা করে ফেলে রুদ্র। সে লোকাল থানার পুলিশ অফিসারকে ব্যবহার করে একজন নকল রাজাবাবু তৈরি করে আর নিজে পুলিশের সমস্ত জাল কেটে বেরিয়ে যায়।

সেখান থেকে বেরিয়ে এই তার প্রথম লক্ষ্য হয় ফুলকিকে বাড়ি থেকে তাড়ানো। তাড়াতে না পারলেও অন্তত সবার কাছে তাকে ছোট করতে চেয়েছিল সে। তাই বাড়িতে এসে প্রথমেই ফুলকির করা সমস্ত কর্মকাণ্ড আরো বাড়িয়ে চারিয়ে সবার সামনে উপস্থাপন করে রুদ্র আর ঈশিতা। যার ফল স্বরূপ ফুলকির ওপর অনেকেই রেগে যায়। বিশেষ করে হৈমন্তী ফুলকিকেআর সহ্য করতে পারে না।

ফুলকির গায়ে হাত তুললো হৈমন্তী

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বাড়ির প্রত্যেকে ফুলকির উপর ভীষণ রেগে রয়েছে। যে মানুষটা সব থেকে বেশি রেগে রয়েছে সে হল হৈমন্তী অর্থাৎ রুদ্রর শাশুড়ি মা। সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না ফুলকির জন্য আজ তার জামাইকে এত হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। ফুলকি হৈমন্তীকে বলে, সে শুধুমাত্র তার সন্দেহের কথাটাই জানিয়েছিল এর থেকে বেশি আর কিছু বলেনি। এটা শুনে ফুলকিকে চড় মারতে যায় হৈমন্তী। মারার আগেই তাকে আটকে নেয় রোহিত।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন