ঘুরে গেল গল্পের মোর। রাইয়ের মৃত্যুর জন্য পুলিশ দোষী সাবস্ত করল অনির্বাণকে। ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora) ধারাবাহিকে আজকের গল্পে দেখা যায় নীলু আর কোয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ কিন্তু তারা কেউই মুখ খুলতে চায় না। এই সময় অফিসার কোয়েলকে বলে তাঁর মেয়েকে তাঁদের সামনে নিয়ে একেই সব সত্যি বলে দেবে। এই সময় কোয়েল পুলিশ অফিসারকে অনুরোধ করে যেনো তাঁর মেয়ে এইসব বিষয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর কোয়েল বলতে থাকে “আমি বলছি। ওই দিন আমাদের লোকেরা রাইকে ধরে নিয়ে এসেছিল ঠিকই, কিন্তু রাই ওদের সঙ্গে মারপিট করে পালিয়ে যায়”। এরপর যাবতীয় সত্য ঘটনা খুলে বলে পুলিশ অফিসারকে।

পুলিশ ওই গুন্ডারা কোথায় আছে জিজ্ঞাসা করায় কোয়েল বলে তারা জানে না। এরপর নীলু বলে ওঠে “আমি কিছু জানি না যা করার ওই কোয়েল করেছে”। এরপর পুলিশ নিলুকে বলে “আপনি নিজের মায়ের পেটের বোনকে মেরে ফেলার জন্য প্ল্যানিং করলেন”। এরপর নানা কথা কথোপকথনের মধ্যে নীলু এবং কোয়েলের মধ্যে হাতাহাতি লেগে যায়। এরপর একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে এবং নীলু মনে মনে ভাবে সে তার সমস্ত দোষ কোয়েলের উপর চাপিয়ে দেবে।
এরপরে নিলু পুলিশকে বলে “আমি কোয়েলের সাথে থাকব না। আলাদা সেল্টার দিন আমাকে নইলে ও আমাকে মেরে ফেলবে”। অন্যদিকে আবার রাই শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকে তার সমস্ত কথাই মনে আছে কিন্তু সে এই কথা কাউকে জানতে দেবে না। রাই এই ভুলে যাওয়ার অভিনয়টা চালিয়ে যেতে চায়। ‘কোথায়ই বা সে ফিরে যাবে? যেখানে বিশ্বাস নেই, আর যেখানে মায়ের পেটের বোন তাঁকে মেরে ফেলতে চায় তাঁদের কাছে ফিরে যাবে’ মন খারাপ করে এইসব কথা ভাবতে থাকে রাই। রাই যাঁদের কাছে এই মুহূর্তে রয়েছে তাঁদের কাছে আরও কয়েকটা দিন থেকে সুস্থ হয়ে সে চলে যাবে, এইসব কথা মনে মনে ভাবতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ বিয়ে হল কথা-এভি’র! প্রকাশ্যে এলো বিয়ের ছবি, দাম্পত্য জীবন শুরু সাহেব-সুস্মিতার!
এদিকে, রাইয়ের বাড়ি সমস্ত লোককে পুলিশরা ডেকে এক জায়গায় জড়ো করে এবং বলে কিছু জরুরি কথা বলবে। এরই মধ্যে অনির্বাণও এসে হাজির হয়। স্রোত অনির্বাণকে দেখামাত্রই খুব রেগে যায় ও বলে “যাও বেরিয়ে যাও”। এরপর পুলিশ অফিসার এসে রাইয়ের পরিবারকে বলে, ‘রাই সেদিন কি ওই গুন্ডাদের হাত থেকে পালিয়ে গেছিল। কিন্তু যখনই সে হাইওয়ের দিকে ছুটছিল তখনই সে মারা যায়” কিন্তু এখনও মৃতদেহ পাওয়া যায়নি। অবশেষে দেখা যায় এই খবর শুনে সবাই কাটতে থাকে। আগামী পর্বে দেখা যাবে রাইকে যে পরিবার উদ্ধার করেছে তাঁরা নতুন নাম দিয়েছে। আবার, দেখা যায় পুলিশ অফিসার অনির্বাণকে আলাদা ডেকে বলে নীলু এবং কোয়েলের পর যদি রাইয়ের জীবন নিয়ে কারোর ওপর প্রশ্ন ওঠে তাহলে সেটা হবে তিনি।
