Bangla Serial

ফুলকির হয়ে আদালতেই ধানু! শাশুড়ির বিরুদ্ধে গিয়ে কী চৌধুরী মহলের ঠাঁই উঠল আদিত্যপত্নীর?

ছোট রানী মাকে এবার কোর্টে যাওয়ার হুমকি দিল ফুলকি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিক গত পর্বে দেখা গেছে, শ্যামানন্দ বাবাজি অর্থাৎ বড় রাজাকে চৌধুরী মহলে আনা মাত্রই সেই অঞ্চলের লোকেরাও তাদের সঙ্গে বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। আর এমন সময় ছোট রানী এবং বাড়ির আরো অন্যান্য সদস্যরা বড় রাজা কে দেখে অবাক হয়ে যায়।

ফুলকি এর পর বড় রানী কে বলে সে তার স্বামীকে ফিরিয়ে এনেছে। কিন্তু বড় রানী মা কিছুতেই বুঝতে পারে না, তিনি আসল বড় রাজা বাবু। কারণ এতদিনে তার চেহারার অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। এমন সময়, ছোটো রাণী সকলের সামনে চিৎকার করে জোর দিয়ে বলতে থাকে এই অচেনা ব্যক্তি কখনোই তাদের বাড়ির বড় রাজা বাবু হতে পারে না।

Tollywood,Zee Bangla, serial Phulki, entertainment, Dibyani Mondal, Abhishek Bose, অভিষেক বোস, টলিউড, জি বাংলা,সিরিয়াল, ধারাবাহিক, ফুলকি, বিনোদন, দিব্যানী মন্ডল

কিন্তু, এদিকে ফুলকি ক্রমাগতই প্রমাণ করার চেষ্টা করে শ্যামানন্দ বাবাজি আসলে বড় রাজাবাবু। তিনি এতদিন ভবঘুরের মতো ছিল বলে আজ তার এই হাল হয়েছে। এরপর ফুলকি সকলের সামনে ২৪ বছর আগেকার ঘটাঘটনা সকলের সামনে তুলে ধরতে থাকে।

কিন্তু, তাও ছোট রানী ফুলকির কাছে প্রমাণ চাই যে এই মানুষটাই আসলে বড় রাজা বাবু। এরপর গ্রামের কিছু লোকেরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে থাকে এই অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিকে পুরোপুরিভাবে চেনা না গেলেও কিছুটা হলেও তাদের বড় রাজার মতো দেখতে লাগছে।

এরপর, ফুলকি তৎক্ষণাৎ সকলের সামনে সেই শ্যামানন্দ বাবাজির গোঁফ দাড়ি এবং চুল কাটার ব্যবস্থা করে যাতে চৌধুরী মহলের সদস্যরা সহজেই বড় রাজাবাবুকে চিনতে পারে। অন্যদিকে বড় রানী চলে গেছে নৃসিংহ দেবের কাছে। বড় রানী নৃসিংহ দেবের কাছে গিয়ে প্রার্থনা করে সে যেন তাকে কোন ইঙ্গিত দেয় যে যেই মানুষটা ফিরে এসেছে সে আদৌ বড় রাজা বাবু কিনা?

এমন সময় ফুলকি তার কাছে গিয়ে বলে নৃসিংহ দেব তাকে আর কত ইঙ্গিত দেবে বোঝার জন্য যে এই বাড়িতে এসেছে তিনি আসলে বড় রাজা বাবু। এরপর, ফুলকি ছোট রানী মার নামে সমস্ত সত্যি কথা বলতে থাকে। ফুলকি বড় রানীকে বোঝাতে চায় যে সে এত দিন ধরে তাঁকে নানা ধরনের ভুলভাল কথা বুঝিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে চৌধুরী মহলে ফিরল বড় রাজা! বাবাকে যোগ্য সম্মান দিতে আদালতে ফুলকি!

এরপর বসার ঘরে গিয়ে দেখা যায় শ্যামানন্দ বাবাজি সমস্ত গোঁফ-দাঁড়ি-চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাও বাড়ির লোক সেই ভাবে কেউ তাকে চিনতে পারছে না। এদিকে আবার বড় রাজাবাবু এত বছর বাড়ির বাইরে ছিল বলে সেই সমস্ত পুরনো স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। আর এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ছোট রানী মা বাড়ির সকলকে বোঝাতে চাইছে যে এই মানুষটি আসলে বড় রাজা বাবু নয়।

অবশেষে বড় রানী মা বলেন যে বড় রাজার ডান হাত হাঁটুতে একটি জন্ম দাগ রয়েছে, সেটা দেখলেই বোঝা যাবে এই ব্যক্তি আসল সেই বড় রাজা বাবু কিনা। এরপর রোহিত সেই দাগ দেখতে গেলে দেখা যায় কোন কারনে বড় রাজাবাবুর হাঁটুটা পুড়ে গেছে অতএব জন্ম দাগ দেখা যাচ্ছে না।

এমন সময় ছোট রানী মা আর স্পষ্ট ভাবে সকলকে বোঝাতে চাই এই ব্যক্তি কখনোই বড় রাজা বাবু হতে পারে না এরপর একে একে এমন কিছু ধরনের প্রশ্ন শ্যামানন্দ বাবাজিকে ছোট রানী মা করতে থাকে যাতে তিনি কোন প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারে না। অবশেষে ফুল্কিরা সেই ব্যক্তি অর্থাৎ বড় রাজা বাবুকে তাদের সঙ্গে রায় বাড়িতে নিয়ে চলে যায় এবং বলে দরকার পড়লে তারা আদালতের দ্বারস্থ হবে।

এই ধারাবাহিকে আগামী পর্বে দেখা যাবে, কই কি ছোট রাণী মা কে বলছি তিনি এই শ্যামানন্দ বাবাজিকে প্রমাণ করতে হলে কোটের দারস্থ হবে। এমন সময় ছোট রানী ফুলকিকে জিজ্ঞাসা করে, কে তাঁদের হয়ে লড়বে? ধানু জানায় সে লড়বে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন