রাজমহলের রাজপথে জনগণের সামনেই ফুলকির হাতে মার খেলো রুদ্ররূপ সান্যাল। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিক গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকি কারোর বারণ না শুনে সোজা চলে যায় উদ্দালক বাবাজির ঘরে এবং সেখানে গিয়ে অনেক হাগডাগ করার পরে বাবা জি দরজা খুললেও ফুলকির মন ঠিক সঠিক সায় দেয় না।
তাই হঠাৎই সবার সামনে ফুলকি নিয়ে নেয় একটা বিরাট বড় পদক্ষেপ। কার যাতে সকলের সামনেই আচমকা ফুলকি সেই বাবাজির চুল-দাড়ি টেনে খুলে দেয়। চুলদাড়ি টেনে খোলার সাথে সাথে ফুলকি প্রমাণ করে দেয় সেই ব্যক্তি আর কেউ নয়, রুদ্ররূপ। এই দেখে ধানু এবং তার শ্বশুর বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়। এমন সময়, ছোট রাজা থেকে শুরু করে আদিত্য সবাই রানীমা কে প্রশ্ন করতে থাকে এটা কিভাবে হল?

এরপর, সুযোগ বুঝে রুদ্র ঘরের দরজা আবার বন্ধ করে দিয়ে গুপ্ত পথ দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর, ফুলকিরা সেই ঘরের দরজা খুলে খোঁজার চেষ্টা করতে থাকি যে রুদ্র ঠিক কোন পথ দিয়ে পালিয়েছে? এরপর, পথ খুঁজে পেলেও ধানুরা সেই একই পথ ধরে রুদ্রকে ধরতে যায়।
অনেক দৌড়ানোর পর ফুলকি এবং ধানু রুদ্রকে নিজেদের কাবুতে আনে আর, সকলের সামনেই মাঝ রাস্তায় বেধারক তাঁকে মারতে থাকে। এমন সময়, অন্যদিকে স্বাগতা দিদিও তাঁর পুরো টিম নিয়ে পৌঁছে যায় ফুলকিদের কাছে। অবশেষে রুদ্রকে আবারো অ্যারেস্ট করা হয়।
এরপর, ফুল্কির সঙ্গে পুলিশেরা চলে যায় চৌধুরী মহলে। বলা যেতে পারে চৌধুরী মহলের সদস্য সহ ফুলকি এবং পুলিশেরা জানতে চায় রুদ্রোর মত এমন তাগি আসামী কি করে ভন্ড গুরুজী সেজে এই বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল? প্রাথমিকভাবে আশাভরী চৌধুরী কারো সাথে দেখা করতে না চাইলেও পরবর্তীতে তিনি নিজে থেকেই আসেন সকলের সঙ্গে কথা বলার জন্য।
আরও পড়ুনঃ গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের লাইসেন্স ফিরে পেলো জোড়া বাড়ি! এবার মিশন মন্দার! ফাঁস ধারাবাহিকের আগামী পর্ব
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, আপনার রুদ্ররূপ রান্নার সঙ্গে ঠিক কি সম্পর্ক? এমনটাই সোজাসুজি প্রশ্ন করল ফুলকি। এরপরেই স্বাগতা দিদি বলল পুলিশের সঙ্গে ম্যাডামকে একবার হলেও থানায় যেতে হবে। এইসব কথা শুনে রেগে যায় ছোট রাজা আর সে সবকিছুতেই বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
