ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে গোটা নবাবগঞ্জ ধানু-আদিত্যকে অষ্টমঙ্গলার জন্য নিয়ে গেল রায়চৌধুরী বাড়িতে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকি গত পর্বে দেখা গেছে সকাল হতেই রায়চৌধুরী বাড়িতে তোরজোড় শুরু হয়ে গিয়েছে চৌধুরী মহলে যাওয়ার জন্য। বাড়ির সবাই গাড়িতে তত্ত্ব নিয়ে রওনা দিল ধানুর শ্বশুরবাড়ির দিকে।
চৌধুরী মহলে যাওয়া মাত্রই ফুলকি গোপালকে নিয়ে সোজা চলে যায় বড় রানীমার কাছে। এমন সময় বড় মা ফুলকিকে দেখা মাত্রই অবাক হয়ে যায়। আরও বেশী আনন্দিত হয় ফুলকির থেকে উপহারস্বরূপ গোপালকে পেয়ে। ফুলকি তাকে বলে এবার থেকে মন খারাপ হলে সে যেন তার সমস্ত কথা গোপালকে বলে।

এরপর বড় রানী মা ফুলকিকে জিজ্ঞাসা করে তার মেয়ে এবং স্বামীর ব্যাপারে। এমন সময় ফুলকি মনে মনে ভাবতে থাকে সমস্ত কথা কি বড়মাকে বলা ঠিক হবে? ওইদিকে বড় রাজার মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত সীতারাম চৌবেও মারা গেছে এই কথাটা বলাও কি রানী মা কে ঠিক হবে? এইসব কথা ভাবতে ভাবতে ফুলকি তাকে বলে আর কিছুদিনের মধ্যেই জানতে পারা যাবে।
ফুলকি রানী মা কথা বলার সময় এসে হাজির হয় রোহিত। এমন সময় বড় বা অজান্তেই রোহিতকে জামাই বলে সম্বোধন করে আর বলে, ফুলকিকে তিনি মেয়ে মনে করেন তাই তাঁকেও জামাই বলেই মেনে নিয়েছেন। এমন সময় ফুলকি তাঁকে মজা করে বলে, যে ফুলকি সিলিন্ডার তোলে তার গায়ে নাকি রাজ রক্ত বইছে, ভাবা যায়। এরপরেই, ফুলকি বড়মাকে সান্তনা দিয়ে বলে সে একদিন তাঁর স্বামী এবং মেয়েকে ফিরিয়ে দেবে।
এরপর, বড়মার ঘর থেকে যাওয়ার সময় রোহিত ফুলকিকে বলে যদি বড় রানী মা ঠিক থাকতো তাহলে এই ছোট রানীমার দাপট এতো থাকতো না। ফুলকিও রোহিতের সঙ্গে সহমত হয়। এরপর, দেখা যায় বড়মা, লাবু সবাই মিলে আদিত্যকে রায় চৌধুরী বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, তাঁর ভাই জেলে থাকায় সে যেতে নারাজ হয়। এমন সময়, ফুলকি কথার মারপ্যাঁচে হারহাইনেসকে বলে, সে যেনো আদিত্যতাকে ওই বাড়ি যাওয়ার জন্য বলে।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির দলে যোগ দিয়েছে রোহিত! বড়ো রাণীমার আশীর্বাদ পারবে তো ফুলকিকে রক্ষা করতে?
এরপরেই, তমালরা হঠাৎ ব্যান্ড পার্টি এবং নবাবগঞ্জের সবাইকে নিয়ে ঢুকে পড়ে চৌধুরী মহলে। ব্যান্ড পার্টির আয়োজন হয়েছে দেখে অবাক হয়ে যায় হারহাইনেস। কিন্তু, তবু আদিত্য যেতে নারাজ থাকে। এমন সময়, হঠাৎ পড়বে এন্ট্রি নেয় ডাক্তার কাকা যাকে কিনা ছোট কুমার গাড়িতে ধাক্কা মেরেছে। ডাক্তার কাকা স্বয়ং এসে বলে সে সমস্ত ছোট কুমারের ওপর থেকে অভিযোগ তুলে নিয়েছে। আর এরপরেই বাড়িতে আগমন ঘটে ছোট কুমারের। অবশেষে, আদিত্য রাজী হয় অষ্টমঙ্গলায় যাওয়ার জন্য।
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে লাবু বলছে আর নিশ্চই কারোর অষ্টমঙ্গলায় যেতে অসুবিধা হবে না। এমন সময় ছোটো রাণী মা মনে মনে ভাবে, ‘কেন মনে হচ্ছে যে, এই মেয়েটা কোনো ভালো হতে দেবে না’।
