অবশেষে রায় চৌধুরী পরিবারে এল রাজমহলের রানী মা। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ‘রানী মা বাড়িতে আসছে!’ রায়চৌধুরী পরিবার এই কথা শোনা মাত্রই সবাই চিন্তায় পড়ে গেছে কিভাবে তাকে আপ্যায়ন করা যায়? বসার ঘরে বসে রীতিমতো সবাই ভাবছে কেমন খাওয়ার আয়োজন করলে তাঁর পছন্দ হবে? এমন সময় একেবারে নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে হাজির হয় রাজমহল রিয়েল এস্টেট-এর সেক্রেটারি।
অসময়ে রাজমহলে সেক্রেটারি এসে পড়ায় খানিক অবাক হয়ে যায় ফুলকিরা। এমন সময় জ্যেঠুমনি তাঁকে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করায় বলেন, রানী মা এর নিরাপত্তার জন্য আগে থেকে সেই জায়গার খোঁজ করে যাওয়া তাঁদের দায়িত্ব, এই কারণেই তারা এসেছেন। কার্যত বলা যায়, রানীমার তরফের এই ব্যবহার আচার অবাক করে তুলছে রোহিতদের।

এরপর সময় অনুযায়ী রানী মা সন্ধ্যেবেলা এসে পড়ে রায়চৌধুরী বাড়িতে, সঙ্গে আনে সবার জন্য একগুচ্ছ উপহার। এদিকে, ফুলকিদের অবাক হওয়ার শেষ নেই। হারহাইনেস আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাথমিক আলাপচারিতা হয় সবার সঙ্গে। এরপরেই, রানী মা জানাই তার রায়চৌধুরী বাড়িতে আসার আসল উদ্দেশ্য।
কথায় কথায় রাণীমা জানায়, তাঁর বড় রাজপুত্রের জন্য ধানসিড়িকে পুত্রবধূ হিসেবে নিয়ে যেতে চায়। আর, এই শুনে অবাক হয়ে যায় সবাই। এদিকে, পিয়াল-তমালরা ধানুকে নিয়ে মসকরা করতে শুরু করে দেয়। তমাল বলে, ‘তোর তো কপাল খুলে গেল রে ধানু!’ অন্যদিকে আবার পিয়াল বলে, ‘তুই কি হাত গুনতে জানিস? সত্যি সত্যিই তো রাজকুমার তোকে বিয়ে করতে আসছে’।
রানীমার কথা বাড়ির বড়রা শুনে বলে, তারা খুবই মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষ। তাই এই প্রস্তাব তাদের কাছে খুবই অপ্রত্যাশিত। এরপর হারহাইনেস রায়চৌধুরী বাড়ির সবাইকে তার ছেলের ফটো দেখায়। বিয়ের কথা শুনে এক কথায় খুবই লজ্জায় পড়ে যায় ধানু। এদিকে বাড়ির ছোটরা তাকে আবার আলাদা করেই বিয়ের কথা জিজ্ঞাসা করলে সে রাজিও হয়ে যায়। এরপর, হাড় দিয়ে আশীর্বাদ করে যায় ধানসিঁড়িকে।
আরও পড়ুনঃ আশুতোষ বসুকে ফাঁ’সাতে সর্বনাশের খেলায় মাতলো তুর্য! পারুল কি পারবে তুর্য’র হাত থেকে বসু বাড়িকে বাঁচাতে?
এদিকে, গত পর্বের শেষে দেখা যাচ্ছে রুদ্র সংশোধনাগারে বসেও জানতে পারে ফুলকির আসল পরিচয়। ফুলকি রাজমহলের রাজকন্যা। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ‘আমি জানতাম তুই একদিন ঠিক ফিরে আসবি’ এই বলে ফুলকির দিকে এগিয়ে আসতে থাকে রাজমহলের বড় বউ। এমন সময় হারহাইনেস রাজমহলের বড়োবউকে বলে, ‘কি করছো দিদি? এসো আমার সঙ্গে’। এদিকে আবার তাঁকে দেখে ফুলকির মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি হতে দেখা যায়।
