বর্তমানে শেষ থেকে শুরু করতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। শুরু থেকে অন্য ধারাবাহিকের কপি বলে বেশ কিছুদিন সমালোচিত হলেও পরবর্তীতে দর্শক মহলে নিজেদের জায়গা পাকা করে এই ধারাবাহিক। ধীরে ধীরে গল্প এমন দিকে এগোতে থাকে যাতে করে বিচ্ছেদ ঘটে মেঘ নীলের। কিন্তু বর্তমানে আবার নতুন করে শুরু করতে চলেছে তারা। আর এই কাজে তাদের সাহায্য করবে ঠাম্মি।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বেশ কয়েক মাস আগেই ডিভোর্স পেপারে সাইন করে একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছে ধারাবাহিকের নায়ক এবং নায়িকা। তবে খাতা কলমে আলাদা হলেও মনের দিক থেকে এখনো অব্দি এতটুকুনিও দূরে সরে যায়নি তারা। বরং আগের থেকে অনেক বেশি কাছাকাছি এসেছে এই যুগল।
মধুমিতা প্রতিনিয়ত বিয়ে করার জন্য মেঘের উপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। কিন্তু মেঘ সেই বিয়ে করতে নারাজ। সে কোনভাবেই নীলকে ভুলে নতুন সম্পর্ক শুরু করতে চায় না। এদিকে মধুমিতাও নাছোড়বান্দা। কখনো মেঘের এক ভক্ত আবার কখনো অনিন্দ্যর কোন বন্ধুর ছেলে, কারো না কারো সাথে মেঘের জীবন জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেই চলেছে সে।
মেঘ প্রত্যেকবার এই প্রতিটি সম্বন্ধ কাটানোর চেষ্টা করছে। মাকে পাত্র দেখতে বাধা না দিলেও, সে নিজে এমন ব্যবহার করছে যাতে আপনার থেকেই তার সামনের জন আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এটা জানতে পারি গিনি। সে বুঝতে পারে মেঘ এখন নীলকে ভালোবাসে। এরপর ঠাম্মির কথায় ফোন করা হয় মেঘের বাড়িতে। ঠাম্মি মেঘের মা বাবার সঙ্গে কথা বলতে চায়। বিষয়টায় বেশ অবাক হলেও বৃদ্ধ মানুষটাকে না করতে পারেনি অনিন্দ্য।
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ঠাম্মি মেঘের বাবাকে বলছে, সে আবার মেঘ আর নীলের সম্পর্কটা জুড়ে দিতে চায়। অনিন্দ্য্য তৎক্ষণাৎ সেখানে বাধা দেয় এবং বলে সে দুঃখিত। আবার এসব সম্ভব নয়। কারণ বিয়েটা ছেলে খেলা নয়। তখন ঠাম্মি অনিন্দ্যের মুখের ওপর বলে, “বিয়ে নিয়ে ছেলে খেলাটা তো তুমি করেছিলে।” কথাটা শুনে আর কিছু উত্তর দিতে পারেনা অনিন্দ্য মধুমিতা।
