বর্তমানে বেশ ভালো রকমের এক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। এই ধারাবাহিকটি শুরু হওয়ার পর থেকে বহু প্রতিপক্ষ মেগা হেরে গিয়ে চ্যানেল থেকে বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ফুলকির কোন নড়চড় হয়নি। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী বেঙ্গল টপার হতে দেখা গিয়েছে এই ধারাবাহিকটিকে। ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার জুটি, মন কেড়ে নিয়েছে ভক্তদের।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, শালিনীকে ঝাল ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ফুলকির ওপর প্রচন্ড রেগে যায় রোহিত। কারণ শালিনীর এসব খাওয়ার অভ্যাস নেই এতে তার শরীর খারাপ হতে পারে। তাই তাড়াতাড়ি তার জন্য আইসক্রিম নিয়ে আসে রোহিত। এত কিছু একেবারেই সহ্য করতে পারেনা ফুলকি কারণ ফুলকির জন্য রোহিত কখনো একটা লজেন্সও কিনে আনেনি। ফুলকি বুঝতে পারে রোহিত এখনো শালিনী ম্যাডামকে অনেক ভালোবাসে। শালিনী ম্যাডাম যতই কুচুটে হোক না কেন স্যারের মন তার উপর থেকে কখনো সরানো যাবে না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কষ্টে নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে ফুলকি। এদিকে ফুলকি খেতে আসেনি বলে সবাই রোহিতের উপর প্রচন্ড রাগারাগি করে। ফুলকিকে খেতে ডাকার জন্য রোহিত তার ঘরে চলে যায়। কিন্তু ফুলকি কিছুতেই খেতে আসতে রাজি হয় না। তাই আর কিছু না বলে রোহিত ঘর থেকে চলে যায়। এরপর ফুলকি দেখে তার বোতলে জল নেই। জলটা নিতে নিচে যেতেই সে দেখতে পায় ঈশিতার সঙ্গে কথা কাটাকাটি চলছে তমালের। আর বারংবার ঈশিতা তমালকে ছোট করে চলেছে। এটা দেখে একেবারেই নিজের মাথা ঠিক রাখতে পারেনা ফুলকি দাস।
চিংড়ি দিদিকে উচিত শিক্ষা দিল ফুলকি
ফুলকি ঈশিতাকে বলে, “শোনা চিংড়ি দিদি, তমাল দাদা তোমাকে ভালোবাসে বলে তুমি তাকে এমন ভাবে অপমান করতে পারো না। যে মানুষটা তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে তুমি তাকে অযোগ্য বলছ? তোমার লজ্জা করে না? আর আমি চুপ থাকতে পারছি না। এবার যদি তুমি তমাল দাদাকে আর কোনো রকম অপমান কর তাহলে ফুলকি দাস কিন্তু চুপ থাকবে না।” এরপর সেখানে চলে আসে রোহিত। ঈশিতা তখন রোহিতকে বলে, সে যেন ফুলকিকে সাবধান করে। এরপর চিংড়ি দিদি সেখান থেকে চলে গেলে ফুলকি বলে, “আমি জানি এবার সব দোষ আমার নামেই পড়বে কিন্তু তাও আমি অন্যায় দেখে আর মুখ বুঝে থাকতে পারছি না।”
ফুলকির কাছে ক্ষমা চাইল রোহিত
এরপর ফুলকি তার তমাল দাদাকে বলে, সে একদিন এই বিষয়টা নিয়ে মা কালীর সাথে বসবে। তার এই কথাবার্তায় হেসে ফেলে তমাল। এরপর পারমিতার তাদের দুজনের জন্য খাবার গরম করে আনে। তারা খাওয়া দাওয়া সেরে নেয়। এরপর রোহিত ফুলকির মাথায় হাত রেখে ফুলকির কাছে ক্ষমা চায়। আর এতেই ফুলকি খুব খুশি হয়ে যায়। তারপরের দিন কোর্ট চত্বর থেকে ফেরার সময় ধানু লক্ষ্য করে তাকে কেউ একজন অনেকক্ষণ ধরে ফলো করে চলেছে। ভয়তে রোহিতের সুপার স্টোরে ঢুকে পড়ে সে।
