Bangla Serial

রাজমহলে এখন দম বন্ধ করা উত্তেজনা! অদৃশ্য শত্রু একেবারে ভেতরে ঢুকে বসে আছে, আর রাখি বন্ধনের শুভ দিনে ফুলকির হাতে চলে আসতে চলেছে সেই শত্রুর বড় প্রমাণ!

রাজমহলে এখন দম বন্ধ করা উত্তেজনা! অদৃশ্য শত্রু একেবারে ভেতরে ঢুকে বসে আছে, আর রাখি বন্ধনের শুভ দিনে ফুলকির হাতে চলে আসতে চলেছে সেই শত্রুর বড় প্রমাণ!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি দিনে দিনে যেন আরও জমে উঠছে। দর্শকেরা প্রতিদিনই নতুন চমক পাচ্ছেন, আর তাই সিরিয়ালটির জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক পর্বগুলো তো একেবারে থ্রিলারে ভরপুর!

গত ক’দিনের ঘটনাগুলোতে দেখা গেছে, সিকিউরিটি এজেন্সির সমীক ধরা পড়ে যাওয়ার পর সবার সামনে নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করে। ফুলকি অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেনি। ঘটনাস্থলে আড়াল থেকে সব দেখছিল রুদ্র। পরে পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করে। অংশু আসতেই ফুলকি সব খুলে বলে—কীভাবে সুনন্দার উপর হামলা হয়েছিল আর কেমন করে অল্পের জন্য বড় ক্ষতি এড়ানো গেছে। ফুলকি জানায়, তাদের আশপাশেই কেউ আছে, যে গোপনে এই সব ঘটাচ্ছে। অংশু বলে, আগে এই ঘটনা সামলাতে হবে, তারপর খুঁজে বের হবে সেই অদৃশ্য শত্রু।

ফুলকির মাথায় তখনই আসে, সুনন্দা বাড়ি ফিরলে আবার হামলা হতে পারে। তাই রোহিতের সাথে প্ল্যান করে সুনন্দাকে বাড়ির পেছন দিক দিয়ে গাড়িতে পাঠায়। কিন্তু রুদ্র চুপিচুপি তিওয়ারিকে ফোনে জানিয়ে দেয়, আজই সুনন্দাকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে হবে। পরিকল্পনা মতো মাঝ রাস্তায় গাড়ি ঘিরে ফেলে শত্রুপক্ষ, কিন্তু গাড়িতে সুনন্দা নেই! আসলে সবটাই ফুলকির চাল—গাড়িতে ওঠানোর পরই সে সুনন্দাকে রোহিতের বাইকে চড়িয়ে পাঠিয়ে দেয়, আর খালি গাড়ি যায় শুধু চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য। ফলে সুনন্দা একেবারে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে যায়।

আরও পড়ুনঃ ডিএনএ মিলের চমক, কারসাজির পরও অফিসে টিকে গেল শিরিন, অফিস থেকে বিদায় পারুলের!

এদিকে সুনন্দার উপর হামলার খবর ইতিমধ্যেই সাংবাদিকদের কানে পৌঁছে গেছে। পরে সুনন্দা নিজেই জানান, কীভাবে ফুলকি দু’দুবার তার প্রাণ বাঁচিয়েছে। তবে ফুলকির মনে অভিরূপকে নিয়ে সন্দেহ বাড়তে থাকে। শেষমেশ ফুলকি ঠিক করে—রাখি পূর্ণিমার দিন যাকে সে রাখি পরাতে পারবে না, সেই-ই তাদের সেই লুকোনো শত্রু! এখন দেখার বিষয়, সেই দিন কীভাবে বেরিয়ে আসে সত্যি!

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন