Bangla Serial

ডিএনএ মিলের চমক, কারসাজির পরও অফিসে টিকে গেল শিরিন, অফিস থেকে বিদায় পারুলের!

জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক পরিণীতা এখন দারুণ চমকের মোড়ে। টিআরপি তালিকায় সবসময় ভালো করা এই সিরিয়াল প্রতি সপ্তাহেই দর্শকদের সামনে এনে দেয় টানটান উত্তেজনা। গতকালের পর্বে অফিসে সিম বিক্রির হিসেব নিয়ে শুরু হয় আসল খেলা।

সবার আগে আসে পারুল। অথচ কিছুদিন আগেই তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। জানা গেল, ম্যাডামের সেক্রেটারি নিজের দায়িত্বে তাকে আবার সুযোগ দিয়েছেন। শর্ত ছিল—২০ টার বেশি সিম বিক্রি করতে না পারলে পারুলের ইন্টার্নশিপও যাবে, আর যিনি তাকে সুযোগ দিয়েছেন, তার চাকরিও শেষ। কিন্তু পারুল গুনে দেখাল, সে বিক্রি করেছে পুরো ৪০টা সিম! ফলে ম্যাডাম বাধ্য হয়ে তাকে রাখলেন।

রায়ানও পিছিয়ে নেই—সে বিক্রি করেছে ৪২টা সিম, আর পারুলও তার জন্য খুশি। কিন্তু হঠাৎ শিরিন জানাল, সে নাকি বিক্রি করেছে ৭০টা সিম! পারুল সঙ্গে সঙ্গে বুঝে গেল কিছু একটা গোলমাল আছে। হিসেব কষে সে প্রমাণ করে দেয়, এত কম সময়ে একার পক্ষে এত সিম বিক্রি করা সম্ভব নয়। ফর্ম চেক করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্যি—শিরিন কলকাতার নর্থ থেকে সাউথ, সব জায়গায় সিম বিক্রি করেছে, যা অবাস্তব। শেষমেশ শিরিন স্বীকার করে, সবই হয়েছে তার মায়ের সাহায্যে।

এই ঘটনা ফাঁস হওয়ার পরও আশ্চর্যজনকভাবে পারুলকেই অফিস থেকে বের করে দেয় ম্যাডাম। শিরিনকেও সতর্ক করে দেয় পারুল—তার পিছনে লাগলে পরিণতি খারাপ হবে। বাড়ি গিয়ে শিরিন সব ঘটনা জানায় মাকে, আর তখনই আসে বড় ধাক্কা। শিরিনের ডাক্তার বন্ধু জানায়, শিরিনের বাবার রক্ত পরীক্ষার সময় পারুলের রক্তের সঙ্গে ৫০% ডিএনএ মিলে গেছে! মা-মেয়ে হতবাক।

আরও পড়ুনঃ জগদ্ধাত্রীর পর শত্রুদের বন্দুকের নিশানায় পড়লো দুর্গা! শত্রুর পেট থেকে কথা বার করতে ব্যর্থ জগদ্ধাত্রী!

পরের দিন অফিসে শিরিনকে দেখে পারুল অবাক হয়ে যায়। প্রতিবাদ করতেই আবারও ম্যাডামের হুমকি—তাকে অফিস থেকে বের করে দেবেন। কিন্তু হঠাৎ ম্যাডামের এই আচরণের কারণ কী? সেটা জানা যাবে পরের পর্বে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন