জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এখন একেবারে জমজমাট জায়গায় পৌঁছে গেছে। রাত আটটা বাজলেই দর্শক বসে পড়েন টিভির সামনে, কারণ একটাও এপিসোড মিস করতে চান না কেউ। গল্পের মোড় ঘুরছে প্রায় প্রতিদিনই, আর সেই কারণেই কৌতূহল তুঙ্গে। আগামী পর্বে কী হতে চলেছে, তার একটা ঝলক মিলেছে আগের কিস্তিতেই।
গত পর্বে দেখা গেছে, আসল অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে কোম্পানির ক্ষতির সত্যিটা প্রকাশ করে রায়ান, মল্লার আর পারুল। তাদের এই সাহসের জন্য সবার হাতে এক লক্ষ টাকা পুরস্কারও তুলে দেওয়া হয়। তবে এত টাকা পারুলের কাজে আসবে না জানে সে, কারণ বোনের বিয়ের জন্য আরও অনেক খরচ বাকি। তখন মল্লার আর রায়ান নিজেদের ভাগের টাকাটাও পারুলকে দিয়ে দেয়। প্রথমে নিতে না চাইলেও, শেষমেশ তাদের জোরাজুরিতে রাজি হয় পারুল। এদিকে বাড়িতে ফিরে দাদু আর ঠাকুমার কাছ থেকে আশীর্বাদ মেলে, বসু পরিবারের সম্মান আবারও উঁচু হয়।
এরপর দাদু-ঠাকুমা মিলে টগরের বিয়ের জন্য গয়না তুলে দেন পারুলের হাতে। দাদুর অসুস্থতার কারণে তারা যেতে পারবেন না, তাই এখান থেকেই আশীর্বাদ জানানো হয়। তবে বাড়ির ছোটরা ঠিক করে, এই আনন্দ তারা মিস করবে না। তাই পারুল, মল্লার, মৈনাক, রায়ানের বৌদি—সবাই মিলে ন্যারাগোয়ালের উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রথমে যেতে না চাইলেও, শেষ পর্যন্ত রায়ানও ব্যাগ গুছিয়ে তাদের সঙ্গেই বেরিয়ে পড়ে।
ওদিকে টগরের আসল স্বভাব সামনে আসতে শুরু করে। সে রুক্মিণীর সামনে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলে, বসু বাড়ি থেকে তাকে কী উপহার দেওয়া হবে। এমনকি পারুলকে ফোন করে বাইকের খোঁজও নেয়। পারুল আশ্বাস দিলেও, টগরের এই লোভী ব্যবহার ভালো লাগে না তার মায়ের। তারপরও বিয়ের বাড়িতে সাজগোজ, গায়েহলুদের অনুষ্ঠান, নাচগান—সব কিছু উৎসবের আবহেই এগোয়। এর মধ্যেই রুক্মিণীর ননদ ভাদু নিজের বিয়ের কথা মাথায় রেখে রায়ানের ভাইকে টার্গেট করতে শুরু করে। মল্লারের সঙ্গে হলুদ মাখার খেলায়ও যোগ দেয় সে।
আরও পড়ুনঃ ভোটের লড়াইয়ে ফুলকিকে হারাতে ইন্দ্রর নতুন চাল, বোমা ফাটিয়ে ত্রস্ত রাজমহল
কিন্তু আসল নাটক জমে ওঠে বিয়ের মণ্ডপে। টগর হঠাৎ বাইকের খোঁজ শুরু করে। বাইক না পেয়ে সবার সামনে বিয়ে ভাঙার হুমকি দেয়। তখনই পারুল রুখে দাঁড়িয়ে বলে, যে ছেলে একটা বাইকের জন্য বিয়ে ভাঙতে পারে, তার হাতে বোনকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। টগরকে অপমান করে বের করে দেওয়া হয় বিয়ে বাড়ি থেকে। এতে ক্ষেপে গিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেয় সে। এবার প্রশ্ন একটাই—পারুলের এই সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত কী বিপদ নেমে আসে? মল্লারের জীবনেও কি তার প্রভাব পড়বে? উত্তর মিলবে আগামী পর্বেই।
