বাংলা ধারাবাহিকের দুনিয়ায় প্রতিদিনই নতুন চমক দেখা যায়। দর্শকদের টানতে পরিচালকরা একের পর এক নাটকীয় মোড় আনেন কাহিনিতে। তার মধ্যেই জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘পরিণীতা’ এখন একেবারে উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে। নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের মধ্যে শুরু হয়েছে জল্পনা।
এখন কাহিনি ঘুরছে পারুল আর তার বোন টগরকে ঘিরে। টগরের মাথায় একটাই বাতিক—যেভাবেই হোক তাকে বড়লোক বাড়ির ছেলের সঙ্গে বিয়ে করতে হবে। দিদি পারুলকে সে ভীষণ হিংসে করে। তাই একেবারে জেদ ধরে বাড়ি থেকে পালিয়েই যায় টগর। খবর পেয়ে দৌড়ে আসে পারুল। বোনকে খুঁজে বের করতেই সামনে আসে আসল বিপত্তি।

টগর ঠিক করেছে সে রতন নামের ছেলেকেই বিয়ে করবে। কিন্তু সমস্যা দাঁড়ায় অন্য জায়গায়। রতনের বাড়ির লোকজন বিয়ের শর্ত হিসেবে দামি বাইক চায়। এত বড় খরচ দেওয়ার ক্ষমতা নেই পারুলদের পরিবারের। কিন্তু বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে পারুল প্রতিশ্রুতি দেয়, বিয়েও দেবে, বাইকও দেবে। এখান থেকেই শুরু হয় আসল নাটক।
প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, মন্ডপে যখন রতন পণের বাইক চাইতে শুরু করেছে, তখন ঠিক সেই মুহূর্তে বাইক নিয়ে হাজির হয় পারুল। কিন্তু রতনের হাতে চাবি দেওয়ার বদলে পারুল তা নিজের কাছে রেখে সবার সামনে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে পণের লোভে বিয়ে করে তার সঙ্গে বোনের গাঁটছড়া বাঁধা যাবে না। অপমান সহ্য না করে রতন বিয়ে ভেঙে সরে যায়।
আরও পড়ুনঃ বাবেল বনাম জিপসি! পরিণীতায় ধরা পড়ল চক্রান্ত, বিপদে পারুল-মল্লার
এই ঘটনার পরেই পুরো কাহিনি অন্য দিকে মোড় নেয়। বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় অপমান সহ্য করতে না পেরে টগর আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বোনকে বাঁচাতে মরিয়া পারুলের সামনে তখন টগর রাখে শর্ত—তার বিয়ে মল্লারের সঙ্গে দিতে হবে। এই মোড় ঘিরেই তৈরি হয়েছে আগ্রহ। দর্শক এখন অপেক্ষা করছেন, মল্লার-টগরের এই অদ্ভুত সম্পর্কের জট কিভাবে সামলাবে পারুল, আর কাহিনি কোনদিকে গড়াবে।
