যেদিন থেকে ধারাবাহিকের নায়ক রোহিতের প্রাক্তন স্ত্রী শালিনী রায়চৌধুরী বাড়িতে এসে উঠেছে, সেদিন থেকেই তার প্রতি একটা সন্দেহ জন্ম নিয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকার মনে। দিন যত এগিয়েছে সেই সন্দেহ তত বেশি পরিপক্ক হয়েছে। শালিনীর বর্তমান কার্যকলাপ আরও বেশি রহস্যের দিকে ঠেলে দিলো ফুলকিকে। বর্তমানে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব হয়ে উঠেছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, শালিনী রুদ্রকে কথা দেয়, এইবার সে এমন চাল চালবে যে রোহিত বাধ্য হবে ফুলকিকে ছেড়ে তার কাছে আসতে। নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করে দেয় শালিনী। সে রোহিতের কাছে এমন একটা আবদার করে বসে যে, সেটা রোহিতের পক্ষে পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। এদিকে স্যারের সাথে আলাদা করে শাকচুন্নি ম্যাডাম কি কথা বলেছে সেটা জানতে উদ্যত ফুলকি।
ফুলকি আজকের পর্ব ২৪ জুন (Phulki Today Episode 24 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, লাবু সকাল হতেই ঝাল সুজি বানিয়ে নিয়ে চলে আসে তার বাপের বাড়িতে। তার মা তাকে জিজ্ঞাসা করে, রুদ্র তো সুজির হালুয়া পছন্দ করে, তাহলে সে ঝাল সুজি বানিয়েছে কেন? লাবু বলে, তার জামাই আর তার হাতে খায় না। কিন্তু সে প্রত্যেকদিন রুদ্রর জন্য রান্না করবে আর তার মুখের কাছে সাজিয়ে দেবে। কিন্তু সে আর কখনো রুদ্রকে ভয় পাবে না। তার কথাবার্তা শুনে বেশ অবাক হয় হৈমন্তী। এরপর সবাই মিলে ঠিক করে জলখাবারে ঝাল সুজি আর দুধ চা খাওয়া হবে।
শালিনীর ব্যবহার দেখে অবাক ফুলকি
তারপর হঠাৎ করেই নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে শালিনী। সে বলে, আর এই বাড়িতে পড়ে থাকবে না সে। এইবার নবাবগঞ্জ ছেড়ে পাকাপাকিভাবে সে চলে যাচ্ছে কলকাতায়। প্রায় প্রত্যেকেই শালিনীর এই কথাবার্তা শুনে বেশ অবাক হয়। এরপর শালিনী ফুলকির কাছে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে। এতদিন ধরে এত ভালো-মন্দ কথা শোনানোর জন্য ফুলকির কাছে ক্ষমা চায়। এরপর ফুলকির মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে তার স্যারকে নিয়ে ভালো থাকতে বলে। আর এই সবটাই দেখতে থাকে রোহিত। রোহিতের মনে এই বিষয়গুলো খারাপ লাগার সৃষ্টি করলেও ফুলকির ভীষণ সন্দেহ হয়।
আরও পড়ুন: লাবুর সাহস দেখে ভয় পেয়ে গেল রুদ্র! প্রতিবাদী মূর্তি দেখে সমাজমাধ্যমে প্রশংসিত তার চরিত্র
ফুলকির কথায় শালিনীর পিছু নিলো পিয়াল
ফুলকি সময় নষ্ট না করে শালিনীর পিছনে পিয়াল দাদাকে পাঠিয়ে দেয়। পিয়াল শালিনীর কিছু করতে করতে বড় রাস্তায় এসে পৌঁছয়। সেখানে একটা পিয়ার অফিসে এসে ঢুকে পড়ে শালিনী। সঙ্গে সঙ্গে এই কথাগুলো ফুলটিকে ফোনে জানিয়ে দেয় পিয়াল। জানা মাত্রই তমাল ফুলকি আর ধানসিঁড়ি চলে আসে পিয়ালের বলা ঠিকানায়। এরপর তারা ভাবতে থাকে কিভাবে শালিনীর কথাবার্তা শোনা যায়। ফুলকি ঠিক করে মই নিয়ে উপরে উঠে জানলা দিয়ে সবটা শুনবে।
