Bangla SerialEntertainment

প্রমাণ জোগাড় করতে এবার মাঠে নামলো ফুলকি, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়ে ধরা পড়ল রুদ্র ঈশিতা!

বর্তমানে জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। আর কোনো লুকোচুরির জায়গা নেই। এইবার একেবারে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামল ফুলকি বনাম রুদ্র। এই ধারাবাহিকটি শুরু থেকেই বেশ নজর কেড়েছিল দর্শকদের। যত দিন যাচ্ছে আরও বেশি আকর্ষণীয় গল্প সম্প্রচার করছে এই ফুলকি। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী বেঙ্গল টপার এর জায়গা দখল করে রয়েছে এই মেগা।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, আবার একটা রহস্যের গন্ধ পেয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি। যেখানেই কোনো অপরাধের প্রসঙ্গ আসে সেখানেই রুদ্ররূপ সান্যাল এর নামটা জড়িয়ে থাকতে দেখা যায়! এই ঘটনাটা আর কেউ লক্ষ্য না করলেও খুব ভালোভাবে বুঝে গিয়েছে ফুলকি। এইবার এক নিরপরাধ দাদাকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে ধারাবাহিকের নায়িকা।

ফুলকির জেরার মুখে বিপাকে ঈশিতা (Phulki Today Episode 9 May)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ফুলকি ঈশিতাকে জিজ্ঞাসা করে, সে কি ছন্দক মজুমদার নামে কাউকে চেনে? ঈশিতা একেবারে মুখের ওপর এই প্রশ্নের মিথ্যে উত্তর দেয়। সে বলে, এই নামের কাউকে সে চেনে না। ব্যাস এখানে ফুলকির কাছে ধরা পড়ে যায় ঈশিতা। এখন শুধু প্রমাণ জোগাড়ের অপেক্ষা। এই ঘটনাটা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হতেই একে একে সেখানে এসে হাজির হয় রুদ্র, জেঠুমনি প্রত্যেকে। তারপর রুদ্রকে দেখে একটু ভরসা পায়ে ঈশিতা আর বলে, তার মনে পড়েছে ছন্দক মজুমদারের। সে নাকি তার খুব কাছের বান্ধবীকে খুন করেছিল। ফুলকি বলে ছন্দক নাকি ভালো ছেলে যেটা তীব্র প্রতিবাদ জানায় রুদ্র।

আরও পড়ুনঃ হাড্ডাহাড্ডি টক্কর বাংলা ধারাবাহিকে, ভোটের মরসুমে জি-কে গোল দিয়ে প্রথম তিনে জলসা! জগদ্ধাত্রীকে হারিয়ে দিল কথা

ফুলকি জেঠুমনির সামনে দাঁড়িয়ে বলে, “পার্টি নিয়ে ওই দাদার অনেক সমস্যা ছিল। ওই পার্টির মাথার উপর যারা সেই সময় রাজ করছিল, তারা নাকি অনেক অন্যায় করতো যেগুলো ছন্দক দাদা মেনে নিতে পারত না। আর সেই নিয়েই পার্টির সাথে তার অনেক ঝামেলার সৃষ্টি হয়। আর তারপর তাকে মিথ্যে ভাবে ফাঁসিয়ে সরিয়ে ফেলা হয়।” ফুলকি বলে, সে ওই নির্দোষ দাদাকে ঠিক ন্যায় বিচার পাইয়ে দেবে। ফুলকির কথাকে সমর্থন করে রোহিত এবং ফুলকিকে অনুমতি দেয় জেঠুমনি। ঈশিতা আর রুদ্র দুজনেই প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় ফুলকির কথায়।

ধরা পড়ার আগেই প্রমাণ লোপাট করল রুদ্র

এরপর ঈশিতা আর রুদ্র দুজন মিলে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যায় এবং এক জায়গায় গিয়ে এই নিয়ে কথা বলতে থাকে। অনেক রাত হয়ে গিয়েছে কিন্তু ঈশিতাকে ফোনে পাচ্ছে না তমাল তাই তার চিন্তা হতে থাকে। ঈশিতা রুদ্রকে বলে, এবার তো মনে হচ্ছে তার সমস্ত মান সম্মান মাটিতে মিশিয়ে যাবে সে ধরা পড়ে যাবে। রুদ্র বলে, এরকম কিছুই হবে না। “এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ওরা কিছুতেই প্রমাণ করতে পারবে না যে এই সব কিছুর পেছনে আমরা আছি। জয়িতার পোস্টমর্টেম রিপোর্টটা আমি নষ্ট করে দেবো। ওটা একবার নষ্ট হয়ে গেলে আর কেউ ছন্দক মজুমদারকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবে না।” অন্যদিকে ঈশিতাকে খুঁজতে রুদ্রর অফিসে চলে এসেছে রোহিত তমাল ফুলকি।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন