জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি কাহিনী মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। পর্দায় ফুলকি আর রোহিত অর্থাৎ অভিনেতা দিব্যানি মন্ডল (Devyani Mondal) এবং অভিষেক বসুর (Abhishek Bose) রসায়ন মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। আর তার সঙ্গে শালিনীর চরিত্রে দর্শকদের নজর কেড়েছিল অভিনেত্রী শার্লি মোদক (Sharly Modak)। তবে বর্তমানে শালিনীকে নিয়ে গল্পে এসেছে নতুন মোড়। স্মৃতি হারিয়ে যাওয়ার নাটক করে রোহিত আর ফুলকির জীবনে আগুন লাগাচ্ছেন শালিনী।
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে শালিনীর চালাকি ধরে ফেলেছে ফুলকি। শালিনীর চোখ আঁকা, আচরণ দেখে সবটাই ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যায় ফুলকির কাছে। এরপরই দেখা যায় ফুলকিকে অসুস্থ করার জন্য ফুলকির ওষুধ বদলে দেয় শালিনী। কিন্তু শালিনীর এই কারসাজি ধরে ফেলে ফুলকি দাস থুড়ি রায় চৌধুরী। তারপরই শুরু হয় ফুলকির নাটক। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে যাওয়ার নাটক শুরু করে ফুলকি। আর সেই সুযোগেই শালিনীকে ঝাটা দিয়ে পিটিয়ে দেয় ফুলকি।
এরপরই শুরু হয় ফুলকির নতুন পদক্ষেপ। নিজেকে ভারসাম্যহীন প্রমাণ করার জন্য আরও বড় চাল চালে ফুলকি। ঈশিতাকে লাঠি নিয়ে তারা করে সে। আর ফুলকির আচার আচরণ দেখেই ঈশিতাও বুঝে যায় ফুলকি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে। আর সেই সংবাদ শালিনীকে দিয়ে দেয় ঈশিতা। ফুলকি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় শালিনী। এদিকে ফুলকির চিন্তায় মানসিকভাবে ভেঙে পরে রোহিত। রোহিতের পরিস্থিতি দেখে ভীষণ কষ্ট পায় ফুলকি। তাই বাধ্য হয়েই রোহিতকে সবটা জানিয়ে দেয় সে।
শালিনীকে জব্দ করল ফুলকি
ফুলকির মুখে সমস্ত কথা শুনে চমকে যায় রোহিত। কিন্তু ফুলকিকে সাহায্য করতে রাজি হয়ে যায় সে। ফুলকিও নিজের সমস্ত প্ল্যান জানিয়ে দেয় রোহিতকে। এরপরই রাতে ফুলকির ঘরে আসে শালিনী। ফুলকি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে ভেবে একের পর এক নিজের সমস্ত কুকীর্তির কথা স্বীকার করে নেয় শালিনী। আর আলমারির ভিতর থেকে সমস্তটাই রেকর্ড করে নেয় রোহিত। এরপরই নিজের ঘরে ফিরে যায় ফুলকির শাকচুন্নি ম্যাডাম। আর তখনই আলমারি থেকে বেরিয়ে আসে রোহিত।
আরও পড়ুন: জব্দ হবে কূটনী শালিনী! ভালোবেসে ফুলকিকে জড়িয়ে ধরল রোহিত!
শালিনীকে বাড়ি ছাড়া করল ফুলকি
পরেরদিন সকাল হতেই চলে আসে ডাক্তারের লোকজন। ফুলকিকে নিয়ে যেতে থাকে হাসপাতালে। আর সেই ফাঁকেই শালিনীর ঘরের দরজাটা খুলে দেয় রোহিত। ঘর থেকে বেরিয়ে আসে শালিনী। কিন্তু তখনই নিজের সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে সবাইকে সবটা জানিয়ে দেয় ফুলকি। সঙ্গে এও বলে এইসবটাই সে করেছে শালিনীকে জব্দ করার জন্য। ফুলকির কথা শুনে চমকে যায় সকলে। এরপরই সেই ভিডিও রেকর্ডটা চালিয়ে দেয় পিয়াল। ভিডিও দেখে শালিনী ব্যাপারে সবটা বুঝে যায় সবাই। তারপরই কুলোর বাতাস দিয়ে শালিনীকে রায় চৌধুরী বাড়ির থেকে বের করে দেয় ফুলকি। কিন্তু যাওয়ার আগে শালিনী ফুলকিকে বলে সে তাও ছাড়বে না। সবটা মনে রাখবে। শালিনীর কথা শুনেই শালিনীকে ঠাসিয়ে চড় মারে ফুলকি। যা দেখে অবাক হয়ে যায় সকলে। তবে কি এবার জব্দ হবে শালিনী? শালিনীকে এইভাবে ছেড়ে দিয়ে কি ঠিক করল ফুলকি? কি মনে হয় আপনাদের?
