জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ (Phulki) এখন একেবারে চূড়ান্ত উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাজবাড়ীর গোপন রহস্য, সম্পর্কের জটিলতা এবং স্মৃতিহীন ছোট রাজার ধীরে ধীরে ফিরে আসা—এই সব কিছুর মিশেলে সিরিয়ালটি এখন দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে।
গত পর্বের গল্প অনুযায়ী ফুলকি ও তার বন্ধুরা বকুলতলার মেলা থেকে পাহাড়পুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, যেখানে লুকিয়ে রয়েছে আসল ‘মিহির’। তারা সিদ্ধান্ত নেয়—দুটি আলাদা দোকান থেকে খাবার নিয়ে, যাঁর রান্নার স্বাদ হবে সেরা, তিনিই হবেন সত্যিকারের মিহির। কিন্তু গোল বাধে যখন দেখা যায়, দুই খাবারই অসাধারণ! এতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে সবাই।

তখন রোহিত পরামর্শ দেয়, সরাসরি দোকানে গিয়ে কথোপকথনের মাধ্যমে সত্যি উদঘাটন করতে হবে। প্রথম দোকানের মালিক পরিচয় লুকিয়ে কথা বলতে রাজি হলেও রাজবাড়ীতে কাজ করার প্রসঙ্গে কথা এড়িয়ে যায়। ফলে সন্দেহের তালিকা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় দোকানে গিয়ে মালিক নিজেই স্বীকার করে নেন, তিনি একসময় রাজবাড়ীতে রান্না করতেন। পালানোর চেষ্টা করলেও ফুলকিরা তাকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়। এখানেই পরিষ্কার হয় আসল মিহিরের পরিচয়।
আজকের পর্বে যা দেখা গেল ফুলকি ও রোহিত ছোট রাজাকে নিয়ে ফিরে আসে রাজবাড়ীতে। ছোট রাজা জানান, তিনি এখন আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ এবং ডিএনএ টেস্ট করাতে রাজি। একইসঙ্গে রানীমা এক প্রেস কনফারেন্সে জানান, ছোট রাজা পুরোপুরি সুস্থ হলেই পরীক্ষা হবে। কিন্তু সেই সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন—রানীমা কি ইচ্ছাকৃতভাবে টেস্ট পিছিয়ে দিচ্ছেন?
আরও পড়ুনঃ ফুলকি খুঁজে পেল নতুন সূত্র! ছোট রাজার নিখোঁজের রহস্য ফাঁসের পথে, ছোট রানীর ছলনা কি এবার প্রকাশ্যে আসবে?
এই প্রশ্নে ছোট রানীমার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বিষয়টি লক্ষ্য করে ফুলকি বুঝতে পারে, কিছু একটা গোপন করার চেষ্টা চলছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—ছোট রাজা কি আদৌ ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে পারবেন? নাকি রাজপ্রাসাদের অন্দরে লুকিয়ে আছে আরও বড় কোনও চক্রান্ত? এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছে ফুলকি! এখন কি ভণ্ড রাজাকে ফাঁস করেই সত্যকে সামনে আনবে সে? উত্তরের জন্য চোখ রাখতে হবে পরের এপিসোডে।
